শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণ

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০১৯     আপডেট: ০১ মার্চ ২০১৯   

সমকাল প্রতিবেদক ও সিলেট ব্যুরো

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করে। ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যার কারণে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা উড়োজাহাজটি জরুরি অবতরণ করে। এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পরে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী মাহবুব আলী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন।

শুক্রবার বিকেল পৌনে ৩টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানের ড্যাশ-৮ মডেলের বিজি ৪০২ অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটটি ৬১ জন যাত্রী নিয়ে ওঠার সময়ই এর চাকা ফেটে যায়। যাত্রীরা চাকা ফেটে যাওয়ার শব্দ শুনলেও আর কোনো অস্বাভাবিকতা অনুভব করেননি। তবে আকাশে উড়ার ১৫ মিনিট পর পাইলট বিমানের পেছনের ল্যান্ডিং গিয়ারের একটি চাকা ফেটে যাওয়ার কথা যাত্রীদের অবহিত করেন।

ওই ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন ডক্টর লালপেট প্রাইভেট লিমিডেটের পরিচালক দেলোয়ার হোসেন। ভারতের বিখ্যাত প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের বাংলাদেশের ওই কর্মকর্তা সমকালকে জানান, ওসমানী বিমানবন্দর থেকে টেকঅফের সময়ই একটা শব্দ শোনা যায়। তবে ওই সময় কেউ কিছু বুঝতে পারেনি। আকাশে উঠার ১৫-২০ মিনিট পর পাইলট জানান- টেকঅফের সময় যে শব্দ শুনেছেন, তা চাকা ফেটে যাওয়ার। এ সময় যাত্রীরা আতঙ্কিত হলেও ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করেন।

তিনি বলেন, শাহজালালে চক্কর দেওয়ার পর বিমানটি যখন অবতরণ করছিল, তখন যাত্রীদের মনের অবস্থা ভাষায় বর্ণনা করা সম্ভব নয়। তবে পাইলট খুব সুন্দরভাবে বিমানটি অবতরণ করেছেন। যাত্রীদের কেউ কিছু বুঝতেই পারেননি; ইট ওয়াজ গুড ল্যান্ডিং।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ সমকালকে বলেন, বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট সিলেট বিমানবন্দর থেকে ৬১ জন যাত্রী নিয়ে উড্ডয়নের সময় পাইলট বিমানের চাকায় কিছুটা ক্রুটি বুঝতে পারেন। পরে শাহজালালে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। যাত্রীদের নিরাপদে বের করে আনা হয়। পাইলট ও ক্রুরাও নিরাপদে আছেন। কারও কোনো সমস্যা হয়নি। বিমানটি মেরামত করা হচ্ছে।