বিএফএফ-সমকাল উদ্যোগ

শুরু হলো জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব

প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০১৯      

সমকাল ডেস্ক

'বিতর্ক মানেই যুক্তি, বিজ্ঞানে মুক্তি' স্লোগানে সপ্তমবারের মতো শুরু হলো বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব ২০১৯। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিতার্কিকদের অংশগ্রহণে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের পাঁচ জেলায় প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে এ উৎসব শুরু হলো। বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (বিএফএফ) ও সমকালের উদ্যোগে এবং সমকাল সুহৃদ সমাবেশের আয়োজনে পর্যায়ক্রমে ৬৪ জেলায় এ প্রতিযোগিতা হবে। এতে অংশ নিচ্ছে মোট ৫২০টি প্রতিষ্ঠানের অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। এ আয়োজনের বিশেষ সহযোগী প্রফেসরস কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স।

গতকাল রংপুরে প্রতিযোগিতায় জিলা স্কুল চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল গ্রামার স্কুল (আইজিএস)। এ ছাড়া লালমনিরহাটে কেইউপি উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন ও বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ রানার্সআপ, গাইবান্ধায় আহম্মদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ চ্যাম্পিয়ন ও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় রানার্সআপ, দিনাজপুরে সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পঞ্চগড়ে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন ও করতোয়া কালেক্টরেট আদর্শ শিক্ষা নিকেতন রানার্সআপ হয়েছে। এদিন বিজয়ী-বিজিত দল ও শ্রেষ্ঠ বক্তার হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন অতিথিরা।

জেলা পর্যায়ের বিতর্ক চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। ১৯ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত হবে বিভাগ পর্যায়ের উৎসব। ১৪ ও ১৫ জুন ঢাকায় দু'দিনের চূড়ান্ত আসরের মধ্য দিয়ে উৎসবের পর্দা নামবে। দেশসেরা ১৬টি দল অংশ নেবে চূড়ান্ত আসরে।

গতকাল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, বিতর্ক একটি শিল্প। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটবে ও সচেতনতা বাড়বে। বিতর্কের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে। তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে ভীতি দূর হবে। যুক্তিতর্কের মধ্য দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বেশি বেশি বিজ্ঞান শিক্ষার মাধ্যমে দেশে ধর্মান্ধতা, জঙ্গিবাদ, মাদকসহ নানা অপসংস্কৃতি দূর করা সম্ভব। আর নতুন প্রজন্মের এ রকম আলোকিত যুক্তি দেশকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে। খুদে তার্কিকদের মধ্য থেকেই একদিন রাষ্ট্রের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত অফিস ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে-

রংপুর :রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে এ প্রতিযোগিতা হয়। এতে অংশ নেয় রংপুর ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জিলা স্কুল, শিশু নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়, পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ইন্টারন্যাশনাল গ্রামার স্কুল, আল মদিনা ইনস্টিটিউট, আরসিসিআই পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রথম রাউন্ড শেষে ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জিলা স্কুল, ইন্টারন্যাশনাল গ্রামার স্কুল ও আরসিসিআই পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ সেমিফাইনালে ওঠে। ফাইনাল রাউন্ডে যায় জিলা স্কুল ও ইন্টারন্যাশনাল গ্রামার স্কুল। বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে ফল ঘোষণা করা হয়। চ্যাম্পিয়ন হয় জিলা স্কুল। এ সময় বিতার্কিকরা খুশিতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে। খুশিতে শিক্ষকরাও শামিল হন। চ্যাম্পিয়ন দলের দলনেতা ছিল মাহমুদুল হাসান শুভ, তার সঙ্গে ছিল সাবা ইবনে হাসান শ্রাবণ ও শিবাশীষ সরকার। রানার্সআপ ইন্টারন্যাশনাল গ্রামার স্কুল দলের দলনেতা ছিল তুরহামুন হক, তার সঙ্গে ছিল জান্নাতি আক্তার বন্যা ও রেজোয়ানা সুলতানা বৃষ্টি। শ্রেষ্ঠ বক্তা হয় রেজোয়ানা সুলতানা বৃষ্টি।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সমকাল সুহৃদ সমাবেশের সভাপতি আজহারুল ইসলাম দুলালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীব। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুস সাহেদ মন্টু এবং বাংলার চোখ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তানবীর হোসেন আশরাফী। স্বাগত বক্তব্য দেন সমকাল রংপুর অফিস প্রধান মেরিনা লাভলী।

প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন কারমাইকেল কলেজের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম এবং অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উমর ফারুক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাহীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসেম আলী, সাংবাদিক আব্দুর রহমান মিন্টু, সুহৃদ সমাবেশের সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সুমন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সুহৃদ মৃন্ময় শাহজাহান, নাফিস ইমতিয়াজ তন্ময়, নুশরাত জাহান রিমা, শাহীন মিয়া, শরিফুল ইসলাম তালুত, রাকিব হাছান লিখন, আরমান হোসেন প্রমুখ।

লালমনিরহাট :জেলা শহরের এলজিইডি মিলনায়তনে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিতার্কিকরা। এতে শ্রেষ্ঠ বক্তা হয় চ্যাম্পিয়ন দল কেইউপি উচ্চ বিদ্যালয়ের আশরাফুল ইসলাম। বিতর্কে আরও অংশ নেয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (রানার্সআপ), ফাকল পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বত্রিশ হাজারি উচ্চ বিদ্যালয়, কবি শেখ ফজলল করিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কালেক্টরেট কলেজিয়েট স্কুল লালমনিরহাট, আদিতমারী গিরিজা শংকর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং আদিতমারী কেবি মাধ্যমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ।

বিচারক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ফেরদৌসী বেগম বিউটি, লালমনি একাডেমির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকির হোসেন, কালীগঞ্জ করিমুদ্দিন সরকারি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক কৃষিবিদ শাহ আলম এবং সমাজসেবক আবদুস সালাম বকুল। গেরিলা লিডার ও সাপ্তাহিক লালমনিরহাট বার্তার সম্পাদক এসএম শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মকছেদুল আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আনিকা তাসনিন। সমন্বয়ক ছিলেন সমকালের লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি হাসান-উল-আজিজ।

দিনাজপুর :দিনাজপুর প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে এ প্রতিযোগিতা হয়। এতে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের বাইরে অংশ নেয় কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টিউলিপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও চেহেলগাজী শিক্ষা নিকেতনের বিতার্কিকরা।

চ্যাম্পিয়ন সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা হলো লাললাতুল রোজ, জুন-নুরাইন আহমেদ দিয়া ও সাদিয়া তাসনিম রুপন্তি এবং রানার্সআপ আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিতার্কিকরা হলো মাহবুবা আফরিন, মারুফা ইয়াসমিন ও আফিফা আকতার। শ্রেষ্ঠ বক্তা হয়েছে জুন-নুরাইন আহমেদ দিয়া।

অনুষ্ঠানে মডারেটর ও বিচারক ছিলেন দিনাজপুর সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মাসুদুল হক, জেলা শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক মীন আরা পারভীন ডালিয়া, লেখক এসএম চন্দন, প্রথম আলোর দিনাজপুর প্রতিনিধি শৈশব রাজু, দেশটিভির দিনাজপুর প্রতিনিধি আবুল কাশেম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্বরুপ বকসী বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল, সমকাল দিনাজপুর প্রতিনিধি বিপুল সরকার সানি, প্রফেসরস কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের প্রোগ্রাম ম্যানেজার এসএম শাহরিয়ার মাহমুদ, সমকাল সুহৃদ সমাবেশের উপদেষ্টা নাট্যকার তারেকুজ্জামান তারেক, সদস্য খুরশিদ আলম আকাশ, তুষার শুভ্র বসাক, মামুনুর রশিদ মামুন, নুর আলম সিদ্দিকী প্রমুখ।

গাইবান্ধা :সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতা হয়। এতে আহম্মদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ দল চ্যাম্পিয়ন এবং সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় দল রানার্সআপ হয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা হয় চ্যাম্পিয়ন দলের দলনেতা জারিন তাসনিম রিপা, তার সঙ্গে ছিল নুরে তাবাসসুম শুচি ও মোছা. তাসনিম।

প্রতিযোগিতায় আরও অংশ নেয় গাইবান্ধা ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, সদর উপজেলা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নর্দান ইন্টারন্যাশনাল হাইস্কুল, আলোকবর্তিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও তুলসীঘাট রেবেকা হাবীব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

এতে মডারেটর ছিলেন গাইবান্ধা সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক খলিলুর রহমান। বিচারক ছিলেন কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক সিহাব উদ্দিন ও অনলাইন টিভি চ্যানেল ৮৭-এর পরিচালক সাহিত্যিক মাহফুজ ফারুক।

সমকাল সুহৃদ সমাবেশের জেলা সভাপতি অঞ্জলী রানী দেবীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি গাইবান্ধা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানা বানু, সুহৃদ সমাবেশ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ আক্তার ইয়াসমিন, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখা সুহৃদের সুশান্ত কুমার বর্মণ, শম্পা দেব, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ শাখা সুহৃদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সমকালের জেলা প্রতিনিধি উজ্জল চক্রবর্ত্তী।

পঞ্চগড় : বিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে এ প্রতিযোগিতা হয়। বিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, করতোয়া কালেক্টরেট আদর্শ শিক্ষা নিকেতন, মাঘই পানিমাছপুকুরী উচ্চ বিদ্যালয়, পৌর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ফুটকিবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, অমরখানা উচ্চ বিদ্যালয় এবং শহীদ পুলিশ স্মৃতি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৪ শিক্ষার্থী ৮টি দলের হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মাঘই পানিমাছপুকুরী উচ্চ বিদ্যালয়, বিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং করতোয়া কালেক্টরেট আদর্শ শিক্ষা নিকেতন সেমিফাইলে ওঠে। চ্যাম্পিয়ন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দলের সদস্যরা হলো জাহিন তাসনিম, মুবতাহিজা মুশফিক অর্পি ও নুসরাত জাহান পাপড়ি এবং রানার্সআপ করতোয়া কালেক্টরেট আদর্শ শিক্ষা নিকেতনের বিতার্কিকরা হলো আফিয়া ফারজানা নোভা, উম্মে জেসমিন জুঁই ও সানজানা বিনতে আফজাল রিমিন।

উৎসবে সার্বিকভাবে সহযোগিতায় ছিলেন সাংবাদিক গোফরান বিপ্লব, আব্দুর রহিম, আসাদুজ্জামান আপেল, সমকাল সুহৃদ সমাবেশের সদস্য আবু তালেব, মুন্না হোসেন, শামছুজ্জামান মীম, রইসুল আজম ও ইব্রাহিম খলিল।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মকবুলার রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দেলওয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ সামছুজ্জামান বিপ্লব এবং করতোয়া কালেক্টরেট আদর্শ শিক্ষা নিকেতনের সহকারী শিক্ষক রাকিবুল হাসান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুবায়ের ইসলাম বাদল। পঞ্চগড় সুহৃদ সমাবেশের সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে পঞ্চগড় ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রুহুল আমিন প্রধান মানিক, ফুটকিবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহযোগী অধ্যাপক এমদাদুল হক এবং পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু বিশেষ অতিথি ছিলেন। সঞ্চালনায় ছিলেন সমকালের পঞ্চগড় প্রতিনিধি সফিকুল আলম।