ঘূর্ণিঝড় ফণী: ফসল ঋণে সুদ মওকুফ হবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের

প্রকাশ: ১৯ মে ২০১৯     আপডেট: ২০ মে ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

ফণীতে ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের ফাইল ছবি

ঘূর্ণিঝড় ফণীতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষকরা ফসল ঋণের সুদ মওকুফ সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছ থেকে ঋণ আদায় এক বছর স্থগিত রাখাসহ একগুচ্ছ সুবিধা দিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করে তা বাস্তবায়নে সব ব্যাংককে নির্দেশনা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে নেওয়া সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে কৃষকরা এ সুবিধা পাচ্ছেন।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, লক্ষ্মীপুর, বগুড়া, জয়পুরহাট, সাতক্ষীরা, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, বাগেরহাট ও খুলনাসহ দেশের বেশকিছু জেলায় ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এসব জেলায় কৃষি খাতের পুনর্বাসন কার্যক্রম নেওয়া প্রয়োজন। এরই অংশ হিসেবে কৃষি ঋণের বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষি ঋণ বিতরণ জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে এক বছরের জন্য ফসল ঋণ আদায় স্থগিত করতে হবে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণ পুনঃতপসিলে এককালীন পরিশোধের শর্ত শিথিল করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কোনো কৃষকের ঋণ পেতে যাতে কোনো ধরনের হয়রানি না হয় এবং দ্রুততম সময়ে ঋণ পান সে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করবেন।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক স্বপ্রণোদিত হয়ে সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে কেস টু কেস ভিত্তিতে ফসল ঋণের সুদ মওকুফ করবে। কোনো কৃষক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না। পাশাপাশি আগে যেসব সার্টিফিকেট মামলা করা আছে সেগুলোর তাগাদা আপাতত বন্ধ রাখতে হবে। ফণীর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কী পরিমাণ কৃষি ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে তা মাসিক ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে হবে।

বিষয় : ফণী ঋণের সুদ মওকুফ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক