মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা চলবে

প্রকাশ: ১৩ মে ২০১৯      

 সমকাল প্রতিবেদক

মির্জা আব্বাস -ফাইল ছবি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি এই মামলার কার্যক্রমে থাকা আগের স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ করে এই রায় দেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ খুরশিদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। অন্যদিকে আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সমবায় সমিতি লিমিটেড নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে বাজারমূল্যের চেয়ে কম মূল্যে প্লট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবিরসহ চারজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ২০১৪ সালের ৬ মার্চ মামলা করে দুদুক। অপর তিন আসামি হলেন, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য আজহারুল হক, মুনসুর আলম ও মতিয়ার রহমান। পরে ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মির্জা আব্বাসসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী থাকাকালে ২০০৬ সালে মির্জা আব্বাস ও একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবিরের হস্তক্ষেপে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে ডিইউজে সমবায় সমিতি লিমিটেডকে কম মূল্যে প্লট বরাদ্দ দেন। এতে প্রায় ১৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা তারা আত্মসাৎ করেছেন। এরপর ২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর ওই মামলা বাতিলের জন্য হাইকোর্টে ফৌজদারি রিভিশন মামলা করেন মির্জা আব্বাস। ওই আবেদনে একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না সেই মর্মে রুল জারির পাশাপাশি মামলার কার্যক্রমেও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। সোমবার ওই রুলের চূড়ান্ত শুানানি নিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট। মামলটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ বর্তমানে সাক্ষীগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

বিষয় : মির্জা আব্বাস দুর্নীতি দমন কমিশন