পরিবর্তন হল কারাগারের সকালের নাস্তার মেন্যু

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০১৯     আপডেট: ১৬ জুন ২০১৯      

 সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

কারাগারে আড়াইশো বছর ধরে চলা কারাবন্দিদের সকালের নাস্তার মেন্যু পরিবর্তন এলো। রিটিশ আমলে বন্দিদের জন্য নির্ধারিত রুটি-গুড়ের বদলে দেওয়া হবে মুখরোচক খাবার। প্রাতঃরাশে বন্দিরা সপ্তাহে দু’দিন ভুনা খিচুড়ি, চারদিন সবজি-রুটি এবং বাকি একদিন হালুয়া-রুটি পাবেন। এখন থেকে কারাবন্দিদের নাস্তার জন্যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে জন প্রতি ৩০ টাকা।

রোববার সাড়ে ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পরিবর্তন আনেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

কারাগার প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত সকালের নাস্তায় একটি মেন্যু ছিল। মেন্যুটি হলো সকালের নাস্তায় একজন কয়েদি পেত ১৪.৫৮ গ্রাম গুড় এবং ১১৬.৬ গ্রাম আটা (সমপরিমাণ রুটি)। একই পরিমাণ গুড়ের সঙ্গে একজন হাজতি পেত ৮৭.৬৮ গ্রাম আটা (সমপরিমাণ রুটি)।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কারাবন্দিদের মানসিক প্রশান্তিতে রাখতে প্রিয়জনদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার জন্য প্রিজন লিঙ্ক ‘স্বজন’ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কারাবন্দিরা তাদের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্প হিসেবে টাঙ্গাইলে এ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ সার্ভিস চালু করা হবে। বন্দিরা কারাগারে থেকে মানসিক প্রশান্তি পেলে তাদের অপরাধ প্রবণতা কমবে। কারাগার হচ্ছে সংশোধনাগার। কারাগারে বন্দিদের চাহিদা অনুযায়ী ৩৮টি ইভেন্টে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ফলে কারাবন্দীরা মুক্তির পর পুনরায় অপরাধে না জড়িয়ে সংশোধনের সুযোগ পায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা, উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন) টিপু সুলতান, ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেরানীগঞ্জ সার্কেল রামানন্দ সরকার, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহে এলিদ মাইনুল আমীন প্রমুখ।

বিষয় : কারাগার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারাবন্দি