প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতির মামলায় ৭৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পরোয়ানা

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০১৯     আপডেট: ২৬ জুন ২০১৯      

আদালত প্রতিবেদক

প্রতীকী ছবি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং বিসিএস ও ব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থার নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির মামলায় পলাতক ৭৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির দেওয়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আমলে নিয়ে ঢাকার মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী বুধবার আসামিদের বিরুদ্ধে এ আদেশ দেন।

পলাতক আসামিদের গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রতিবেদন আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে পুলিশকে দাখিলের নির্দেশ দেয় আদালত।

এদিকে একই ঘটনায় চার্জশিট হওয়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের চার্জশিটটি বিচারিক আদালত সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দিয়েছে আদালত।

দীর্ঘদিন তদন্তের পর গত ২৩ জুন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে চারটি অভিযোপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

১২৫ জন আসামির মধ্যে ৮৭ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আসামিদের মধ্যে ৪৭ জন জামিনে রয়েছেন। যাদের মধ্যে ৪৬ জনই প্রশ্ন ফাঁসের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এছাড়া একজন আসামি নাবালক হওয়ায় তার জন্য শিশু আইনের একই ধারায় দুইটি চার্জশিট দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৬৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

গত বছর ২০ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার আগের রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল থেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মহিউদ্দিন রানা ও আবদুল্লাহ আল মামুন নামে দুই ছাত্রকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

ওই ঘটনার পরদিন তাদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় ২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৬৩ ধারা ও ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৯(খ) ধারায় মামলা করে সিআইডি।

মামলার তদন্তকালে আসামিদের নামে ২০ কোটি টাকার সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে এরই মধ্যে উত্তরা পশ্চিম থানায় মানিলন্ডারিং আইনে মামলাও করেছে সিআইডি।