চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্র মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর

প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজউদ্দিন ফকির।

গত ৩০ এপ্রিল চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্র মামলায় খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টের এই বেঞ্চ আবেদন গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে নিম্ন আদালতের রায়ে দেওয়া অর্থদণ্ড স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দের আদেশের ওপর স্থিতাবস্থা (স্টাটাসকো) জারি করেন আদালত। এ ছাড়া বিচারিক আদালতের রায়ের নথি দুই মাসের মধ্যে হাইকোর্টে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সে ধারাবাহিকতায় গত ২০ জুন ঢাকার বিচারিক আদালত থেকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্র মামলার নথি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ঠ শাখায় আসে। গত রোববার খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য আবেদন দাখিল করা হলে ৩০ জুলাই শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। কারাবন্দি খালেদা জিয়া বর্তমানে চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউ হাসপাতালে রয়েছেন।

গত বছর ২৯ অক্টোবর ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামান সোয়া তিন কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্র মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন।

মামলার অপর তিন আসামি হারিছ চৌধুরী (পলাতক), জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলামকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে তাদের ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। পাশাপাশি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্রের নামে কেনা কাকরাইলের ৪২ কাঠা জমি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।