গণহত্যার অভিপ্রায়ে রাখাইনে যৌন সহিংসতা: জাতিসংঘ

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০১৯     আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

পুড়িয়ে দেওয়া হয় রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর- রয়টার্স

রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূলে গণহত্যার অভিপ্রায় থেকেই মিয়ানমারের সেনবাহিনী রাখাইনে রোহিঙ্গা নারী এবং শিশুদের ওপর যৌন সহিংসতা চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত জাতিসংঘের এক তদন্ত প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

২০১৭ সালের আগস্টে তল্লাশি চৌকিতে হামলার অভিযোগ তুলে রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এরপর একে একে পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে থাকেন রোহিঙ্গারা।

ওই বছরই জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল বিভিন্ন দেশের তদন্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত দল গঠন করে। এ তদন্ত দলের প্রতিবেদনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের চিত্রের বর্ণনা পাওয়া যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'শত শত রোহিঙ্গা নারী ও মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ৮০ শতাংশ ধষর্ণের ঘটনাই ইচ্ছা করে ঘটানো হয়েছে। গণধর্ষণের ৮২ শতাংশের জন্যই দায়ী মিয়ানমার সেনাবাহিনী।'

এতে আরও বলা হয়, রাখাইনে নারী ও মেয়েদের ওপর যৌন সহিংসতা শুরু হয় ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে ধ্বংস করতে সেখানে গণধর্ষণ চালায়।