অর্থ পাচারকারীদের ধরতে এফবিআই'র সহায়তা চাইলেন দুদক চেয়ারম্যান

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

সোমবার দুদক কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের আবাসিক আইন উপদেষ্টা এরিক অপেঙ্গার সঙ্গে বৈঠক করেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। ছবি: দুদক

অর্থ পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) সহায়তা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের উদ্দেশ্যে এফবিআই'র সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে দুদক। 

সোমবার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের আবাসিক আইন উপদেষ্টা এরিক অপেঙ্গার সঙ্গে বৈঠকে এ সহযোগিতার আহ্বান জানান দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। বৈঠকে তিনি বলেন, কেউ যদি যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ উপার্জন করে সম্পদ গড়ে, সে বিষয়ে দুদকের মাথাব্যথা নেই। তবে বাংলাদেশ থেকে কেউ যদি অবৈধভাবে অর্থ পাচার করে যুক্তরাষ্ট্র বা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে সম্পদ গড়ে, সেটা দুদক আইনে অপরাধ। এসব অর্থ পাচারকারীকে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট দেশের এফবিআই'র মতো জাতীয় সংস্থার সহযোগিতা চান তিনি।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট ও এফবিআই'র সঙ্গে দুদকের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে ও কমিশনের কমকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণে সহযোগিতা করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুর্নীতিসংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত বিশেষ করে মানি লন্ডারিং, সাইবার ক্রাইম, আর্থিক লেনদেনের তদন্তের ক্ষেত্রে ফরেনসিক অ্যানালাইসিস, ট্রেড বেইজড মানি লন্ডারিং, অপরাধীদের জিজ্ঞাসাবাদের কৌশল, সম্পদ পুনরুদ্ধার (স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি), তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত আর্থিক অপরাধ, মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স, তথ্য বিনিময়সহ বিভিন্ন বিষয়ে জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিকশিত হবে।

বৈঠকে এরিক অপেঙ্গা দুদকের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি কমিশনের অভিযোগকেন্দ্রের হটলাইন-১০৬ ও তথ্যপ্রযুক্তিসংক্রান্ত কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে দুদকের সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত, প্রতিরোধ অনু বিভাগের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ, আইসিটি ও প্রশিক্ষণ অনু বিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।