এসএমই উন্নয়নে বিসিককে শক্তিশালী করা হবে: সালমান এফ রহমান

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

দেশের এসএমই খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনকে (বিসিক) আরও শক্তিশালী করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। 

তিনি বলেন, বিসিকের প্রতি ব্যবসায়ীদের তেমন আস্থা ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরে বিসিকের একটি কাঠামো দাঁড়িয়েছে। এখন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন এগিয়ে চলছে। আগামী দিনে বিসিককে শক্তিশালী করা হচ্ছে। এখন বিসিক যেভাবে কাজ করছে, তাতে আগামীতে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন অর্জন করা সম্ভব হবে।

শনিবার রাজধানীর পল্টন টাওয়ারের ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন প্রধান অতিথি সালমান এফ রহমান। 'এসএমই টেকসই উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা' শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের যৌথ প্রকল্প প্রিজম ও ইআরএফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম, বিসিক চেয়ারম্যান মো. মোশতাক হাসান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড নিউট্রিশন অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের টিম লিডার ম্যানফ্রেড ফার্নহোল। কর্মশালায় ইআরএফ সভাপতি সাইফুল ইসলাম দিলাল সভাপতিত্ব করেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশেদুল ইসলাম ও প্রিজম প্রকল্পের টিম লিডার আলী সাবেতসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, এসএমই সারাবিশ্বের অর্থনীতিতে মূল ভিত্তি। এসএমইর আরও উন্নয়ন করতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে দেশের এসএমই খাত সরাসরি রপ্তানিতে অবদান রাখছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে চাহিদা থাকা পণ্যের বড় অংশ এসএমই খাত থেকে আসছে। এ খাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই বিপণন ও দক্ষতা উন্নয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রিজম প্রকল্প এসএমই উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বাজার ধরতে সহায়তা করছে। এটা খুবই ভালো অগ্রগতি। তবে আগামী দিনে নতুন চ্যালেঞ্জ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব। এ বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে হলে এসএমই উন্নয়নে অনেক কাজ করতে হবে। এ জন্য বিসিককে শক্তিশালী করা হচ্ছে। বিসিকে ওয়ানস্টপ সার্ভিস সেবা চালু করা হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারায় এগোতে হলে বৃহৎ ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরও সমান সুবিধা দেওয়া দরকার।

ফ্রিল্যান্সারদের বিড়ম্বনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ফ্রিল্যান্সারদের একটি ডাটাবেজ করার কাজ শেষ পর্যায়ে। এ কাজ শেষ হলেই প্রত্যেক ফ্রিল্যান্সারকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে। রেজিস্ট্রেশন কার্ড থাকলেই তার টাকা ওঠাতে ব্যাংক কোনো প্রশ্ন করবে না। এ সনদ দিয়েই তারা অন্যান্য কাজ সহজে করতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, ডাটাবেজ শুরুর আগে আমাদের ধারণা ছিল, দেশে হয়তো দু-এক লাখ ফ্রিল্যান্সার আছেন। কিন্তু এ কাজ করতে গিয়ে দেখা গেল, ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা ৬ লাখেরও বেশি। তারা প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে রেমিট্যান্স আয় করছে।