মাদক পাচার রোধে একত্রে কাজ করছে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত মিলার

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০১৯      

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার -ফাইল ছবি

মাদক পাচার ও বিস্তার রোধে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র আশা করে, যৌথ সহযোগিতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাদকদ্রব্য পাচার রোধ ও নিয়ন্ত্রণে আরও সমক্ষতা অর্জন করবে।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে মাদক পাচার রোধে বহুমুখী অনুসন্ধান কার্যক্রম সংক্রান্ত তিন দিনের কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা এ কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের অফিস অব প্রসিকিউটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট, অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যান্ড ট্রেনিং- ওপিডিএটির বিশেষজ্ঞরা এ কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, মাদক পাচার একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিতে বিভিন্ন দেশের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। মাদকের বিষাক্ত ছোবল থেকে সাধারণ মানুষ এবং আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, মাদক পাচারে জড়িত ব্যক্তি ও গোষ্ঠী আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী। তারা নানা ধরনের দক্ষ কৌশল ও নেটওয়ার্ক তৈরি করে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে মাদক দ্রব্য পাচারকারী ও ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও বেশি দক্ষ ও কার্যকর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে। পাচার রোধে অবশ্যই বিভিন্ন দেশের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও সুরক্ষিত করতে হবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, যৌথ সহযোগিতার মাধ্যমে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত স্থানীয় গোষ্ঠীগুলোকে ছিন্নভিন্ন করতে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা আরও বাড়বে। মাদক পাচার রোধে আইনের প্রয়োগকে আরও কার্যকর করে তুলতে বাংলাদেশকে পর্যাপ্ত সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, এ ধরনের ওয়ার্কশপের ফলে মাদক পাচার রোধে বৈশ্বিক সমন্বিত উদ্যোগের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবে।