ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ

পাঁচ জেলার ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে দুদক

প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ঘুষ, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পাঁচ জেলা থেকে সাতজনকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার গ্রেফতারের পর আসামিদের আলাদাভাবে সংশ্নিষ্ট আদালতে সোপর্দ করা হলে শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

দুদক সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম, খুলনা ও দিনাজপুরে পৃথক ফাঁদ পেতে তিনজনকে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ঢাকা ও ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করা হয় চারজনকে।

স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় চট্টগ্রামের ট্যাপ জোন-২ ও ইনকাম ট্যাক্স সার্কেল-৩১-এর পরিদর্শক মো. রেজাউল করিম বেগকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের খুলনা অফিসের একটি টিম ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করে খালিশপুর জুট মিলসের জিএম মোস্তফাকে। বিশ হাজার টাকা ঘুষসহ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মো. আল-আমিনকে গ্রেফতার করেন দিনাজপুর অফিসের কর্মকর্তারা।

এদিকে, ঢাকায় গণপূর্ত বিভাগের সেতু ডিজাইন শাখার বিভাগীয় হিসাবরক্ষক এসএম মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে তিনি পূর্ত অডিট অধিদপ্তরে সুপারিনটেনডেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৭০ লাখ ৫৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় ময়মনসিংহের কর সার্কেল-২-এর সাবেক পরিদর্শক মাকসেদ আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ৭৭ লাখ ৫০ হাজার ১৪৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুদকে পেশ করা সম্পদ বিবরণীতে ৩১ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে কমিশনের ময়মনসিংহ অফিসে মামলা করা হয়েছিল গত ১৮ সেপ্টেম্বর। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ময়মনসিংহের উপসহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর এ আসামিকে গ্রেফতার করেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা আরেক মামলায় ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে পুলিশের সাবেক এসআই আবদুল জলিলকে। দুদকের ময়মনসিংহ অফিসের সহকারী পরিচালক একেএম বজলুর রশীদ তাকে গ্রেফতার করেন। ৫৭ লাখ ৬৯ হাজার ৪৮২ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তা ভোগদখলে রাখার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত পর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হলো।