‘বুলবুল’ মোকাবেলায় প্রস্তুত সশস্ত্র বাহিনী

প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০১৯   

অনলাইন ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' শনিবার মধ্যরাত নাগাদ বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এর প্রভাবে বর্তমানে উত্তাল সাগর। শনিবার দুপুরে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত থেকে তোলা ছবি-ফোকাস বাংলা

ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' শনিবার মধ্যরাত নাগাদ বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এর প্রভাবে বর্তমানে উত্তাল সাগর। শনিবার দুপুরে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত থেকে তোলা ছবি-ফোকাস বাংলা

ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল'-এর পরের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর সব সেনানিবাস, ঘাঁটি, জাহাজ ও হেলিকপ্টার। সাতক্ষীরায় সেনাবাহিনীর ১২০ সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। তারা প্রাথমিকভাবে স্থানীয় জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরে সহায়তা করবেন। 

শনিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে 'প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় ও ত্রাণ তৎপরতা মনিটরিং সেল' সার্বক্ষণিক সচল করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর সব ফরমেশন স্থানীয় সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছে। যে কোনো প্রয়োজনে সহায়তার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন তারা। দুর্যোগ-পরবর্তী সহায়তার জন্য ওষুধসামগ্রী, খাবার পানি ও শুকনো খাবার বিতরণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

নৌবাহিনীর পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ বিএনএস কর্ণফুলী, তিস্তা, পদ্মা, এলসিভিপি ০১২ ও এলসিভিপি ০১৩ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি চারটি নৌ কন্টিনজেন্ট যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী উদ্ধার তৎপরতায় নৌবাহিনী তিন স্তরের ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের একশ' সদস্যের একটি কন্টিনজেন্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিমানবাহিনীর সদর দপ্তরে 'বুলবুল' পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে সেল সচল করা হয়েছে। বিমানবাহিনীর সব এয়ারক্রাফট দুর্যোগ-পরবর্তী রেকি ও যে কোনো জরুরি মিশনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিমানবাহিনীর একটি অগ্রগামী দল দুর্যোগ মোকাবিলায় বরিশালে গেছে।

ইতোমধ্যে বানৌজা সমুদ্র জয় ও সমুদ্র অভিযান জরুরি ত্রাণসামগ্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনে অবস্থান করছে। এ ছাড়া নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদ আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। খুলনা নৌ অঞ্চল থেকে মোতায়েনকৃত জাহাজগুলো বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা ও সাতক্ষীরায় ২০০০ প্যাকেট জরুরি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করবে।