সড়ক পরিবহন আইন নিয়ে সমকাল-নিসচা গোলটেবিল

জরিমানা আদায় নয়, উদ্দেশ্য শৃঙ্খলা

প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০১৯     আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

সমকাল কার্যালয়ে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় অতিথিরা-সমকাল

সড়কে আইন ভঙ্গে জরিমানা বেড়েছে ১০ থেকে হাজার গুণ। বেড়েছে কারাদণ্ড। নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ সংস্থা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বলছে, জেল-জরিমানা করা নয়, নতুন সড়ক পরিবহন আইনের উদ্দেশ্য রাস্তায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা। আইনটি কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে পারলেই সেই শৃঙ্খলা ফিরবে। আর এটা করা গেলে উপকৃত হবে সবাই। তবে পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা বলছেন, তাদের শাস্তি দিয়ে সড়কে স্বস্তি আসবে না। আইনটি অনেক কঠোর, রয়েছে ক্রটি এবং অসঙ্গতিও।

রোববার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সমকাল কার্যালয়ে 'সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাস্তবায়নে সংশ্নিষ্টদের করণীয়' শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব বক্তব্য উঠে আসে। এসিআই মোটরসের সহযোগিতায় সমকাল ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর আয়োজনে এ গোলটেবিল আলোচনা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফির সঞ্চালনায় এই আলোচনায় অংশ নেন নিসচা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন, পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (হাইওয়ে প্রধান) ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান ড. কামরুল আহসান, সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান, ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মফিজ উদ্দীন আহম্মেদ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী, ডিএমপি উপ-কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) প্রবীর কুমার রায়, ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন মজুমদার, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রয়াত সাংবাদিক মিশুক মুনীরের স্ত্রী মঞ্জুলী কাজী এবং এসিআই মোটরসের বিজনেস ম্যানেজার রবিউল হক। ধন্যবাদ বক্তব্য দেন নিসচার মহাসচিব সৈয়দ এহসানুল হক কামাল।

মুস্তাফিজ শফি বলেন, সমকাল শুধু সংবাদ প্রকাশে সীমাবদ্ধ নয়- সমাজে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকাও পালন করে। সড়কে দুর্ঘটনা কমিয়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সমকাল সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে এ গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদকপ্রাপ্ত ইলিয়াস কাঞ্চন প্রারম্ভিক বক্তব্যে বলেন, আইন কার্যকরের পর গাড়ির কাগজপত্র হালনাগাদে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তবে বারবার ছাড় দেওয়া হলে মানুষের মধ্যে আইন মেনে চলার মানসিকতা থাকে না।' তার দৃষ্টিতে, নতুন আইন খুবই ভালো হয়েছে। এবারই প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও অবহেলার কারণে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। তবে পথচারীর জন্য আইন প্রয়োগের আগে তাদের জন্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা উচিত বলে জানান তিনি।

সড়ক পরিবহন আইনকে 'মালিকবান্ধব' আখ্যা দিয়ে মঞ্জুলী কাজী বলেন, আইনের ১০৫ ধারায় বলা হয়েছে, দণ্ডবিধির ৩০৪(খ) ধারায় বিচার হবে। এ ধারায় সর্বোচ্চ সাজা বলা হয়েছে পাঁচ বছর জেল। প্রাণহানির ক্ষেত্রে জরিমানার যে অর্থ নির্ধারণ করা হয়েছে তা নগণ্য। উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে, তার পরিবারের যে দুরবস্থা হয়, তা এই সামান্য ক্ষতিপূরণে দূর হওয়ার নয়।

এ মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, মালিক-শ্রমিকরাই যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের দাবি তুলেছিলেন। কিন্তু যে আইন পাস হয়েছে, তাতে তাদের দাবি টেকেনি।

ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনে ট্রাস্ট গঠনের কথা বলা হয়েছে। গাড়ির বীমার টাকা ট্রাস্টের তহবিলে জমা দিলে হাজার কোটি টাকা হবে। তা থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যাবে।

সড়কে মৃত্যুতে পাঁচ বছরের সাজা লঘু দণ্ড- এমন বক্তব্যের জবাবে খন্দকার এনায়েত বলেন, এ বিষয়ে ভুল বার্তা যাচ্ছে। যদি প্রমাণ হয়, চালক ইচ্ছা করে কাউকে মেরেছেন, তা হলে ৩০২ ধারাতেই মামলা হবে। এ ধারায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড।

আইনের তিনটি ধারায় জামিন অযোগ্য করা হয়েছে। এগুলোর সংশোধন চেয়ে খন্দকার এনায়েত বলেন, এমনিতেই চালক সংকট রয়েছে। তাদের ধরে জেলে রাখা হলে গাড়ি চালাবে কে?

যেখানে সেখানে সড়ক পারাপার ও ফুটপাত ব্যবহার না করলে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধানও সংশোধনের দাবি করে এনায়েত উল্যাহ বলেন, সড়কে হাঁটে গরিব মানুষ, শ্রমিকরা। তাদের এত বড় অঙ্কের জরিমানা করলে পুরো মাসের আয় চলে যাবে জরিমানা পরিশোধে।

এসব মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জরিমানা আদায় মুখ্য উদ্দেশ্য নয়। সরকার চায়, সবাই আইন মেনে চলুক। নতুন সড়ক পরিবহন আইনের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাই প্রধান উদ্দেশ্য। এ আইনের উদ্দেশ্য সড়কে যেন ফিটনেসবিহীন গাড়ি, লাইসেন্সবিহীন চালক না থাকে।

পরিবহন নেতাদের পক্ষ থেকে সমালোচনা করা হলেও সবার মধ্যে আইন মানার ইতিবাচক প্রবণতার প্রশংসা করে আসাদুজ্জামান খান বলেন, গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষায় কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বিআরটিএতে এখন প্রচণ্ড ভিড়। আইন মানার মানসিকতা আছে বলেই এ ভিড়। আজকে যারা নানা কথা বলছেন, কাল তারাই মেনে চলবেন। মালিক-শ্রমিকরা আইন মেনে অতীতে সরকারকে সহযোগিতা করেছেন, ভবিষ্যতেও করবেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংশোধনের দাবি যৌক্তিক হলে সরকার বিবেচনা করবে। আইন সংশোধন করতে হলে আবার সংসদে যেতে হবে। সড়ক পরিবহন আইন জামিনযোগ্য করার দাবির জবাবে তিনি বলেন, জামিনের এখতিয়ার আদালতের। চালকের ভূমিকা পর্যালোচনা করে বিচারক জামিন দিতে চাইলে দেবেন। ক্র্যাশ কর্মসূচির মাধ্যমে চালক সংকট দূর করতে বিআরটিএর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

যেখানে সেখানে সড়ক অতিক্রমের প্রবণতা ঠেকাতে ঢাকায় চলন্ত সিঁড়িযুক্ত ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা তুলে ধরেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। পথচারী, চালক ও শ্রমিকদের জন্য অনেক বেশি জরিমানা রয়েছে আইনটিতে- এমন সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি পরিবর্তন হয়, তখন পরিবর্তিত আইন কার্যকর হবে। কিন্তু যতক্ষণ যে আইন আছে, ততক্ষণ সেটি মেনে চলতে হবে।

মেয়র বলেন, সেনানিবাসের ভেতর সবাই সড়কে আইন মানে। কিন্তু বাইরে এসে ভুলে যায়। পাশের দেশ ভারতের কলকাতায় ভয়ে লোকে ট্রাফিক আইন ভাঙে না। বাংলাদেশেও তাই করতে হবে। কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে আইন মানতে উৎসাহী করতে হবে।

গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. মিজানুর রহমান বলেন, সড়ক পরিবহন আইন শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে। আইন কার্যকরের পর ১৪ দিন ছাড় দেওয়া ঠিক হয়নি; বরং আগে সচেতনতা অভিযান চালিয়ে তারপর কার্যকর করা যেত। তিনি জানান, মহাসড়কে যত প্রাণহানি হয়, তার ৫৮ শতাংশই পথচারী। রাজধানীতে এদের সংখ্যা ৫১ শতাংশ। তবে পথচারীদের জরিমানা করার আগে তাদের হাঁটার সুব্যবস্থা করার পরামর্শ দেন তিনি।

আইনে অবৈধ পার্কিংয়ে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকায় বৈধ পার্কিংয়ের জায়গা নেই। ভবন নির্মাণের অনুমোদিত নকশায় যেখানে পার্কিংয়ের জায়গা রাখা হয়েছে, সেখানে দোকান তোলা হয়েছে। বৈধ পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না করে অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষা হয় না। কাগজের ফিটনেস পরীক্ষা হয়। কাগুজে ফিট গাড়ি দিয়ে সড়ক নিরাপদ হবে না। আইনে ফিটনেসবিহীন ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ির সাজা বিধান রয়েছে। কিন্তু কাকে সাজা দেওয়া হবে? ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশন করার দায়িত্ব মালিকের। চালককে সাজা দিয়ে শৃঙ্খলা আসবে না।

গাড়ির অবৈধ আকার-প্রকৃতির পক্ষে যুক্তি দিয়ে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি হাজী তোফাজ্জল জানান, বিদেশে মেশিনের মাধ্যমে মালামাল তোলা হয়। বাংলাদেশে শ্রমিকের মাধ্যমে মালামাল ওঠানামা করা হয়। তাই কাভার্ডভ্যানের দৈর্ঘ্য ২০ ফুট থেকে বাড়িয়ে ২২ ফুট করা হয়। এতদিন এই দৈর্ঘ্যেই তারা ফিটনেস পেয়েছেন। এখন কীভাবে গাড়ির বাড়তি অংশ কাটবেন? আকৃতি পরিবর্তনের কারণে তিন লাখ টাকা জরিমানা ধরা হয়েছে। এত জরিমানা দিয়ে গাড়ি চালানো সম্ভব নয়। তাই চালকরা ভয়ে বাড়ি চলে গেছেন বলে জানান তিনি।

আইনটিতে ত্রুটি রয়েছে বলে দাবি করেন শ্রমিক নেতা ওসমান আলী। তিনি বলেন, আইন কার্যকর হয়ে গেছে, অথচ ট্রাস্ট গঠিত হয়নি। ১০৫ ধারায় বলা হয়েছে, ৩০৪(খ) ধারায় যাই থাকুক না কেন সড়কে প্রাণহানি হলে চালকের পাঁচ বছর জেল হবে। প্রকৃত দুর্ঘটনাতেও কারও মৃত্যু হলে কি পাঁচ বছর জেল হবে? এই আইনে শাস্তি দেওয়া যাবে; কিন্তু সড়কে স্বস্তি আসবে না। এ আইনে শ্রমিকদের সুরক্ষা নেই।

ওসমান আলী বলেন, অতিরিক্ত পণ্য বহন করে ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি। তারা মালামাল লোড-আনলোড করে। শ্রমিক তো জানেনই না, কত টন মাল তোলা হয়েছে। অথচ এজেন্সিকে শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। যেখানে-সেখানে যাত্রী তুললে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে, অথচ ঢাকায় ফার্মগেট ও বনানী ছাড়া কোথাও বাস বে নেই।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, সীমাবদ্ধতা না খুঁজে, কীভাবে আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা যায়, সেদিকে মন দিতে হবে। আইনে অনেক কিছু নেই, যা বিধিমালায় স্পষ্ট হবে। বিধিমালা প্রণয়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

বিআরটিএ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন প্রয়োগ করে। সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর হলেও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য আইনটি তফসিলভুক্ত হয়নি। যা দু-একদিনের মধ্যেই হয়ে যাবে বলে জানান কামরুল আহসান।

সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান বলেন, বিধিমালা না হওয়া পর্যন্ত আইন কার্যকর অসম্ভব। আইনে চালকের সহকারীর লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু এখনও তাকে লাইসেন্স দেওয়ার বিধানই নেই। লাইসেন্স না দিয়ে তাকে জরিমানা করা যুক্তিসঙ্গত নয়।

মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থেকে ট্রাফিক পুলিশের উপকমিশনার বলেন, ৭০ ভাগ মানুষ আইন মানতে চায় না। টাই পরা ভদ্রলোকও আইন মানতে চায় না।

অতিরিক্ত কমিশনার মফিজ উদ্দীন বলেন, আইন কার্যকরের গেজেট জারির পরপরই পুলিশ তা বাস্তবায়নে প্রস্তুত হয়েছে। সরকার যখন বলবে, তখন থেকেই আইনের প্রয়োগ শুরু হবে। আইনে বর্ণিত ৪১টি অপরাধের মাত্র ৯টিতে মামলা দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে পুলিশের। এগুলো প্রয়োগে মামলার স্লিপ ছাপানো হয়েছে।

বিধিমালা ছাড়া কীভাবে আইন কার্যকর সম্ভব- পরিবহন নেতাদের এ প্রশ্নে হাইওয়ে পুলিশের প্রধান মাহবুবুর রহমান বলেন, ১৯৭৬ সালে ডিএমপি অধ্যাদেশ হয়েছে। বিধিমালা হয়েছে ৩০ বছর পর। আইন কার্যকরে বিধিমালা বাধা নয়। সড়ক পরিবহন আইনকে 'স্মার্ট' আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন আইন নিজের সুরক্ষার আইন। আইন যিনি মানবেন তিনি সুরক্ষা পাবেন।

তিন বছর ধরে চালক প্রশিক্ষণ স্কুল পরিচালনা করছে এসিআই মোটর- প্রতিষ্ঠানটির বিজনেস ম্যানেজার রবিউল হক এ তথ্য জানিয়ে বলেন, সড়কের নিরাপত্তায় চালকের প্রশিক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসিআই চালক সৃষ্টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। দক্ষ চালক থাকলে দুর্ঘটনা কমে আসবে।

গোলটেবিল আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন নিসচা'র যুগ্ম মহাসচিব সাদেক হোসেন বাবুল, লিটন এরশাদ, বেলায়েত হোসেন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আজাদ হোসেনসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা।