পরিবহন ধর্মঘটে চালের বাজারে প্রভাব পড়বে না: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০১৯     আপডেট: ০৪ জানুয়ারি ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার

নতুন সড়ক পরিবহন আইন সংস্কারের দাবিতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘটে ট্রাক ও কভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ থাকলেও চালের বাজারে কোনো বিরূপ প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

বুধবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ে চালের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে মিল মালিকদের সঙ্গে এক সভার শুরুতে মন্ত্রী একথা জানান।

তিনি বলেন, ৩-৪ দিন কেন ১০ দিন বন্ধ থাকলেও প্রভাব পড়বে না, যদি কেউ কারসাজি না করে।

ধর্মঘটের আগেই খুচরা বাজারে চালের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এই দাম বৃদ্ধির যৌক্তিক কোনো কারণ নেই। মিল ও বাজার মনিটর করে দেখা গেছে, মজুদের কোনো ঘাটতি নেই, আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই, বরং রপ্তানি করা জন্য প্রস্তুত আছি।

মন্ত্রী বলেন, কেউ যেন চালের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করতে না পারে, সেজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কেও বলা হয়েছে। যদি কেউ চালের দাম বাড়াতে চায়, তাহলে কোনভাবেই সহ্য করা হবে না। 

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পাইকাররা কেজিতে ৫০ পয়সার বেশি লাভ করতে পারেন না, এর বেশি করলে দেশেকে আপনারা শোষণ করতে বসেছেন। এটাও সহ্য করা হবে না। খুচরা বাজার আপনাদের মনিটরিং করতে হবে।

সরকারি গুদামে ১১ লাখ ১২ হাজার ৬৭৪ টন চাল মজুদ আছে এবং চাল ও গম মিলিয়ে ১৪ লাখ ৫৯ হাজার মেট্রিক টন মজুদ আছে বলে জানান মন্ত্রী। 

গত ৭ দিনে খুচরা বাজারে মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, খুচরা বিক্রেতারা দাম বাড়িয়েছে, যা উচিত হয়নি। খুচরা বাজারে এটি হচ্ছে, চেষ্টা করব দাম যেন আর না বাড়ে। ভোক্তা অধিকার আইনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দাম যতটা বেড়েছে তা কমতে কতদিন লাগবে- এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে যেন না বাড়ে সেজন্য মিটিং করা হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার জরুরি ভিত্তিতে যাবে।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।