পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ঢাকায় থাকা ২৩১টি শিল্প প্রতিষ্ঠান অবিলম্বে বন্ধ করতে পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ ছাড়া বুড়িগঙ্গার দক্ষিণ পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধে এবং নদীতে সরাসরি পতিত লাইন বন্ধে ব্যবস্থা নিতে ঢাকার ডিসি, এসপি, পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক, কেরানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ওসিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন। এ আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি সংশ্নিষ্টদের আদালতে প্রতিবেদন দিতেও বলা হয়েছে। আদালতে বাদীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আমাতুল করিম।

বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ২০১০ সালে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়। ওই রিটের শুনানি শেষে তিন দফা নির্দেশনা দিয়ে ২০১১ সালের ১ জুন রায় দেন হাইকোর্ট। ওই রায় যথাযথভাবে পালন না করায় চলতি বছরের শুরুতে এ বিষয়ে ফের সম্পূরক আবেদন করে এইচআরপিবি।

আদেশের পর মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, যেসব ইন্ডাস্ট্রি বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ করছে এবং অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া যে ইন্ডাস্ট্রিগুলো চলছে সেগুলোর তালিকা আদালতে দাখিলের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপর তারা তালিকা আদালতে দাখিল করে জানান, ২৩১টি কারখানা ঢাকা শহরে পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়াই চলছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ওই তালিকার ভিত্তিতে কারখানাগুলো বন্ধের জন্য আদালত আদেশ দিয়েছেন।