সরকারি চাকরিজীবীদের (১১ থেকে ২০ গ্রেডের) বেতন বৈষম্য নিরসন, অভিন্ন নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন, টাইম স্কেল-সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে ১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকুরিজীবীদের সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরাম। আগামী এক মাসের মধ্যে দাবিগুলো মেনে নিতে আল্টিমেটামও দেন ফোরাম নেতারা।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা এ দাবি জানান। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক পরিষদের আহ্বায়ক মো. মিরাজুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান। ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন ১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীরা। সকাল ১০টার পর মানববন্ধন গণজমায়তে রুপ নেয়। এতে সারা দেশ থেকে আসা সরকারি চাকরিজীবীরা তাদের ন্যায্য দাবি মেনে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ জানান।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির অংশীদার এই ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরাও। কিন্তু তাদের পেছনে ফেলে রেখে দেশকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না। এসময় বক্তারা ২০১৫ সালে প্রদত্ত ৮ম পে-স্কেল সংশোধনসহ বেতন বৈষম্য নিরসন করে গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ও গ্রেড সংখ্যা কমানোর, এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন, সকল পদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতম গ্রেড প্রদান ও ব্লক পোস্ট নিয়মিতকরণ করা, টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল ও ২০% ইনক্রিমেন্ট প্রদান করা, সচিবালয়ের ন্যায্য পদবী ও গ্রেড পরিবর্তন করা, সব ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয় করা, নিম্ন বেতন ভোগীদের জন্য রেশন ও শতভাগ পেনশন চালুসহ গ্রাচুয়িটির হার ৫০০ টাকা করার এবং কাজের ধরন অনুযায়ী পদ নাম ও গ্রেড একীভূত করার দাবি জানান।

সভাপতির বক্তব্যে মিরাজুল ইসলাম আট দফা দাবি মেনে নিতে সরকারকে ১ মাসের আল্টিমেটাম দেন। তিনি বলেন, ৭ মার্চের মধ্যে দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হলে তারা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।