বিশ্বজুড়ে মহামারি আকার ধারণ করেছে করোনাভাইরাস। বাংলাদেশেও এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। এই ভাইরাস প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জে নতুন করে ৭৩ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে হোসেনপুরে ১ জন, তাড়াইলে ৭ জন, পাকুন্দিয়ায় ১ জন, কটিয়াদীতে ১৬ জন, ভৈরবে ৪৭ জন ও ইটনায় ১ জনকে নতুন করে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

এছাড়া ৯৮ জন তাদের কোয়ারেন্টাইন সমাপ্ত করেছেন। তাদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ৩ জন, হোসেনপুরে ২ জন, করিমগঞ্জে ১ জন, তাড়াইলে ৪ জন, পাকুন্দিয়ায় ৭ জন, কটিয়াদীতে ১৯ জন, ভৈরবে ৪৬ জন, নিকলীতে ১ জন, ইটনায় ১ জন, মিঠামইনে ৫ জন ও অষ্টগ্রামে ৯ জন কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। এ নিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩৫ জনে। তাদের মধ্যে মোট ৪৪৭ জন তাদের কোয়ারেন্টাইন সমাপ্ত করেছেন। বর্তমানে জেলায় মোট ৩৮৮ জন কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে এবং বাকি ৩৭১ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। তাদের সবাই বিদেশ ফেরত।

কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে বর্তমানে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৯ জন, হোসেনপুরে ২৭ জন, করিমগঞ্জে ১৬ জন, তাড়াইলে ১১ জন, পাকুন্দিয়ায় ২৪ জন, কটিয়াদীতে ১০৫ জন, কুলিয়ারচরে ৩১ জন, ভৈরবে ১০৫ জন, নিকলীতে ৫ জন, বাজিতপুরে ১৯ জন, ইটনায় ১৩ জন, মিঠামইনে ৮ জন ও অষ্টগ্রামে ৫ জন কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এর মধ্যে অষ্টগ্রাম উপজেলার ৫ জন এবং ভৈরব উপজেলার ১২ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জে কোয়ারেন্টাইন কার্যক্রম প্রতিদিনই জোরদার করা হচ্ছে। কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসীদের মধ্যে মোট ৪৪৭ জন তাদের কোয়ারেন্টাইন সমাপ্ত করেছেন। এই সময়ে তাদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের কোন লক্ষণ দেখা যায়নি।