বাংলাদেশে থাকা নাগরিকদের জন্য ভারত-যুক্তরাজ্যের বিশেষ বার্তা

প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২০     আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২০   

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট স্থগিত হওয়ার পর নিয়মিত ভ্রমণ সতর্কবার্তার প্রতি লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন।

রিভা গাঙ্গুলি দাশ শনিবার এক ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘এই বার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় এবং তাদের স্বজনদের জানাতে চাই, আমরা আপনাদের পাশে আছি। এই কঠিন সময়ে তাদের সহায়তা করতে আমরা প্রস্তুত। এই কঠিন মুহুর্তে শান্ত থাকুন, আতংকিত হবেন না।’

তিনি আরো বলেন, ‘করোনা ভাইরাস ভারতসহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা বুঝতে পারছি- চলাচল সীমিত করার কারনে আপনাদের সমস্যা হচ্ছে। আমরা অনেক ধরনের প্রশ্ন পাচ্ছি। এ সময়ে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনাদের জানাচ্ছি। ভারতীয় শিক্ষার্থীদের বিষয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তারা আমাদের জানিয়েছেন শিক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণ করা হবে। বাংলাদেশ সরকার ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে কিন্তু নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ অব্যাহত আছে।’

যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার তার বার্তায় বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী কভিড-১৯ এর সংক্রমণের কারনে আমরা সবাই অপ্রত্যাশিত সংকটের মুখোমুখি। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ মার্চ যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বের সকল দেশে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের অতি প্রয়োজন ছাড়া আর্ন্তজাতিক ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন। এর পর থেকে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাই কমিশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের যত দ্রুত সম্ভব সচল বাণিজ্যিক ফ্লাইটের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

বার্তায় তিনি বলেন, ‘গত ২৭ মার্চ বাংলাদেশ সরকার এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বিমান চলাচল স্থগিত করার ঘোষণা দেয়। তবে তারা এও ঘোষণা দিয়েছেন যে, ফ্লাইটগুলো ৭ এপ্রিল থেকে পুনরায় চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ অবস্থায় ব্রিটিশ নাগরিকদের কারও এই স্থগিত হওয়া বিমান ফ্লাইটে বুকিং থাকে কিংবা এই মুহুর্তে বিকল্প উপায় বিবেচনা করার বিষয় থাকে কাহলে এখন দু'টি কাজ করা র অনুরোধ জানানো হচ্ছে। প্রথমটি হচ্ছে- বিমান এয়ারলাইন্স অথবা সংশ্নিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে জরুরী ভিত্তিতে যোগাযোগ করুন। নিশ্চিত হয়ে নিন যে যদি স্থগিত হওয়া ফ্লাইটে ইতোমধ্যে আপনার বুকিং থাকে তবে যেন আপনাকে ৭ এপ্রিল থেকে আবারও চালু হওয়া ফ্লাইটগুলোতে পুনরায় বুকিং দেওয়া হয়। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাজ্য সরকারের বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যাডভাইস এর প্রতিনিয়ত চোখ রাখার জন্য। বাংলাদেশ সরকার এবং বিমান এয়ারলাইন্সের কাছ থেকে তাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে যে সকল তথ্য পাওয়া যাবে তা যথাসম্ভব দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হবে।’