এমপিদের পাশে চায় বিপদগ্রস্ত মানুষ

বেশিরভাগ জনপ্রতিনিধিই এলাকায় নেই

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২০     আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২০       প্রিন্ট সংস্করণ

মসিউর রহমান খান

রংপুর শহরের রেলস্টেশন সংলগ্ন বাবুপাড়া এলাকার রিকশাচালক সেলিম মিয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। দু'দিন ধরে বাসায়। পুলিশ ও র‌্যাব রিকশা চালাতে দিচ্ছে না। শুক্রবার রাতে রিকশা নিয়ে স্টেশন থেকে পায়রা চত্বরে এসেছেন। বাসায় রান্না হয়নি, এখন রাতের খাবার তাকে জোগাড় করতেই হবে। শহরে কোনো মানুষজনও নেই। সংক্ষিপ্ত পথে একজন যাত্রী পাওয়া গেলেও তিনি ভাড়া দিয়েছেন মাত্র পাঁচ টাকা।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বিপদে রয়েছেন সেলিম মিয়ার মতো অসংখ্য দিনমজুর বা মেহনতি মানুষ। নির্বাচনে ভোট চেয়ে প্রায় সব প্রার্থীর পোস্টারে একটা কমন স্লোগান থাকে 'গরিব, দুঃখী ও মেহনতি মানুষের বন্ধু'কে ভোট দিন। খাদ্য সংকটের আশঙ্কায় থাকা দেশের লাখ লাখ মেহনতি মানুষের পাশে নেই ভোটের আগের সেই বন্ধুরা। দেশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাতেগোনা কয়েকজন সংসদ সদস্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে চাল-ডাল বিতরণ করছেন। হাত গুটিয়ে বসে আছেন বেশিরভাগ সাংসদ। একজন এমপি অবশ্য দাবি করলেন, বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত না হলে দিনমজুরদের খাদ্য সংকট হবে না। কারণ মানুষের আয় বেড়েছে। মানুষ এখন এতটা গরিব কেউ নেই। আরেকজন এমপি জানালেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ায় তিনি এলাকায় যেতে পারছেন না। আবার কেউ কেউ সরকারি উদ্যোগ পর্যবেক্ষণ এবং নির্দেশনার মাধ্যমে নিজেদের দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছেন।

সংসদ সচিবালয়ের সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুল্ক্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা, গাড়ির জ্বালানি খরচ, পাঁচ কোটি টাকা থোক বরাদ্দসহ একজন এমপি অনেক সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন রাষ্ট্রের কাছ থেকে। এরপর গণপরিবহন বন্ধ থাকায় এলাকায় যেতে না পারার অজুহাত যুক্তিযুক্ত হতে পারে না। সরকারি বরাদ্দের বাইরে তাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগেও অনেক কিছু করার সুযোগ রয়েছে। সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার হিসাবে  দেশে দিনমজুরের সংখ্যা এক কোটির ওপরে। যাদের প্রতিদিন কাজের নিশ্চয়তা নেই। সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর রাজধানী ছেড়ে যাওয়া মানুষের একটা বড় অংশই দিনমজুর। ঢাকায় নানা ধরনের সরকারি-বেসরকারি ও বিত্তবানদের উদ্যোগে চাল-ডাল বিতরণের তথ্য মিলছে। তবে যারা ঢাকা ছেড়ে গেছেন তারা খুবই নাজুক পরিস্থিতিতে রয়েছেন। কারণ এলাকায় গিয়ে কাজ পাচ্ছেন না; ত্রাণও পাচ্ছেন না। হঠাৎ নেমে আসা এ বিপদের দিনে জনপ্রতিনিধিদের পাশে চান সাধারণ মানুষ।

সরকারি নির্দেশনার পর ২৫ মার্চ থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ২৬ মার্চ থেকে সরকারি-বেসরকারি সব অফিসও বন্ধ হয়ে গেছে। এরপর যোগাযোগ ব্যবস্থাও রয়েছে বিচ্ছিন্ন। একই সঙ্গে ঘর থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনা রয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। তাই অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ। আর্থিকভাবে সচ্ছলরা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মজুদ করলেও দিনমজুরদের সে সুযোগ নেই।

নড়াইলে নিজের এলাকায় ব্যাপকভাবে অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছেন স্থানীয় এমপি ও ক্রিকেট তারকা মাশরাফি বিন মুর্তজা।

টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনের মধ্যে সদর আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন আড়াই হাজার প্যাকেট তৈরি করেছেন গরিবদের মধ্যে বিতরণের জন্য। এর মধ্যে রয়েছে- পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি আলু, এক কেজি ডাল, এক কেজি লবণ ও একটি সাবান। তবে জেলার অন্য এমপিদের পক্ষ থেকে তেমন কোনো উদ্যোগের খবর মেলেনি।

বরিশাল ব্যুরো অফিস জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বরিশাল জেলায় সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ ছয় এমপির অধিকাংশের কোনো তৎপরতা নেই। বিভাগের অন্য জেলার এমপিদের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি প্রায় একই। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানের পর বরিশালের সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর কোনো ধরনের তৎপরতার খবর কেউ জানাতে পারেননি। জেলার ছয় এমপির মধ্যে চার এমপির অবস্থাও প্রায় একই। তবে ওই চার এমপির ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, এলাকায় না থাকলেও তাদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, মন্ত্রী মর্যাদায় (পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক, মন্ত্রী) এবং বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা কমিটিরও সভাপতি। ২০ মার্চ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী এলাকায় ছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তার উদ্যোগের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে কোনো তৎপরতার খবর মেলেনি। গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচএম জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, তাদের নির্বাচনী এলাকায় এখন পর্যন্ত কোনো ত্রাণ দেওয়ার খবর তার জানা নেই।

বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের এমপি মো. শাহে আলম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের জন্য পিপিই পাঠিয়েছেন। তার পক্ষে অন্য কোনো তৎপরতার খবর পাওয়া যায়নি।

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের এমপি গোলাম কিবরিয়া টিপু জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য। সর্বশেষ তিনি কবে নির্বাচনী এলাকায় এসেছেন এমন তথ্য তার দল বা স্থানীয় কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি। বাবুগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও এমপির রাজনৈতিক উপদেষ্টা মকিতুর রহমান কিসলু বলেন, এমপি ঢাকায় অবস্থান করছেন প্রায় এক বছর হলো। তার পক্ষ থেকে এলাকায় কিছু মাস্ক বিতরণ ও হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিগগিরই হতদরিদ্রদের সহায়তায় তিনি উদ্যোগ নেবেন বলে জানা গেছে।

বরিশাল-৪ আসনের (মেহেন্দীগঞ্জ-হিজলা) এমপি পঙ্কজ দেবনাথ এলাকায় না থাকলেও তার পক্ষ থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

বরিশাল-৫ (সদর উপজেলা) আসনের এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের পক্ষে ২৪ মার্চ থেকে স্যানিটাইজার সামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। জনগণকে সচেতন করতে মাইকিং, ব্যানার, লিফলেট বিতরণসহ নানা কার্যক্রম চলছে। মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মীর হাদিস জানান, এ সপ্তাহের মধ্যে দুস্থদের মধ্যে চালসহ নিত্যপণ্য বিতরণের প্রস্তুতি চলছে।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের এমপি জাতীয় পার্টির নাসরিন জাহান রত্না আমিনের পক্ষ থেকে এলাকায় ত্রাণ বিতরণের খবর পাওয়া গেছে।

রংপুর ব্যুরো অফিস জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে নাজুক পরিস্থিতিতে রয়েছে রংপুরের দিনমজুররা। জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার চর শংকরদহের দিনমজুর আফজাল মিয়া (৫০) বলেন, 'মাটি কাটি, লেবারি করি হামরা চলি। বাঁন্দের ওপর বাড়ি করি আছি। সরকার কওছে ঘর থ্যাকি বাহির হওয়া যাবার ন্যায়। সব কাম-কাজ বন্দো হয়া গেইছে। এল্যা আমরা কী করি খামো। সরকার তো এ্যালাও কিছু দেয় নাই হামাক।'

রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসনের এমপি ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ অবশ্য জানিয়েছেন, সরকারি উদ্যোগ যাতে দিনমজুরদের কাছে পৌঁছায় সেজন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি নদীভাঙনের শিকার গঙ্গাচড়াবাসীর জন্য সরকারের কাছে বিশেষ বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছেন।

একই জেলার রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের এমপি ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ার ফলে তিনি ঢাকা থেকেই এলাকার খোঁজখবর রাখছেন বলে জানান। সরকারি উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে চাল, আলু, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা তালিকা তৈরি করে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। এ ছাড়া তার ব্যক্তিগত গার্মেন্ট কারখানা থেকে চাহিদার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে।

রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক বলেন, সরকারি খাদ্য সহায়তা পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনি নিজে এলাকায় থেকে বিষয়টি মনিটর করছেন। তবে শ্রমজীবী মানুষের এখনও খাদ্য সংকট তৈরি হয়নি। আগামী তিন থেকে চার দিন পর তাদের খাবার শেষ হয়ে যাবে।

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর) আসনের এমপি মোহাম্মদ নাসিম জানিয়েছেন, তার নির্বাচনী এলাকার স্থানীয় ভ্যানচালক, রিকশাচালক, দিনমজুর ও হতদরিদ্রদের সহায়তা দিতে কাজীপুর ও সদরের প্রতিটি ইউনিয়ন ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনের এমপি ডা. হাবিবে মিল্লাতের উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ, শহরের মোড়ে মোড়ে প্যানাবোর্ড এবং করোনা লক্ষণ ও প্রতিকার বিষয়ে মাইকিং চালু রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, 'সিরাজগঞ্জ জেলার জন্য রেড ক্রিসেন্ট থেকে ১০০ পিস পিপিই পোশাক ও ২৫৭ সেট হাইজেনিক স্প্রে কিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রোববার ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ এসে তিনি ১০ হাজার মাস্ক, দুই হাজার পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ১০ হাজার পিস সাবান বিতরণ করবেন।'

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য ডা. অধ্যাপক আব্দুল আজিজ করোনা সচেতনতায় মাঠে রয়েছেন। শনিবার দুপুরে ঢাকা থেকে রায়গঞ্জ ও তাড়াশে এসে স্বাস্থ্যকর্মীদের ১০০ সেট ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পোশাক (পিপিই) ও স্যানিটাইজার সামগ্রী বিতরণ করেন।

সিরাজগঞ্জ-৫ (শাহজাদপুর) আসনের এমপি হাসিবুর রহমান স্বপন শনিবার ঢাকা থাকলেও শুক্রবার দুপুরে শাহজাদপুরে ৪৫০ জনের মধ্যে চাল বিতরণ করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও শেরপুর-২ আসনের (নালিতাবাড়ী-নকলা) এমপি মতিয়া চৌধুরী ইউএনও এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার হাতে এক লাখ ১০ হাজার টাকা তুলে দিয়েছেন। এ ছাড়া ওই দুই উপজেলায় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের দিয়ে এক লাখ লিফলেট ও ১০ হাজার মাস্ক বিতরণ করেছেন। সরকারি বরাদ্দ যেন প্রকৃত দরিদ্র মানুষ পায় সেজন্য তিনি স্থানীয় প্রশাসন, দলীয় নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দিয়েছেন।

শেরপুর প্রতিনিধি জানান, শেরপুর-৩ আসনের এমপি প্রকৌশলী ফজলুল হক চাঁন তার নির্বাচনী এলাকা শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতির ১৭টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে ৫০০ পিস সাবান ও ২০০ প্যাকেট করে টিস্যু বিতরণ করছেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, কেউ অভুক্ত থাকলে তার বাড়িতে নিজস্ব উদ্যোগে খাবার পৌঁছে দেবেন তিনি।

শেরপুর-১ আসনের এমপি হুইপ আতিউর রহমান আতিক দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে জেলা সদরে সচেতনতামূলক এক লাখ লিফলেট বিতরণ করেছেন। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি এক মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকলেও কেউ অভুক্ত থাকবেন না। কারণ মানুষের আর্থিক অবস্থা এখন আর আগের মতো নেই। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপিদের নির্দেশ দিয়েছেন, এলাকাবাসীকে সচেতন ও সতর্ক করতে হবে। এগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে এই দুর্যোগ মোকাবিলা কঠিন কিছু হবে না।

দিনাজপুরের ছয় এমপির মধ্যে দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি ও হুইপ ইকবালুর রহিম এবং দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল এলাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সাবান বিতরণ করেছেন। ইকবালুর রহিম জানান, তিনি নিজেই এলাকায় গিয়ে সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছেন। তার মতে, দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে এমপিদের সবাই সক্রিয় রয়েছেন সেটা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না। তবে রাজনীতি করে যারা এমপি হয়েছেন, তাদের জন্য কোনো নির্দেশনার প্রয়োজন নেই। জনগণের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তারা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।