করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির অর্থনৈতিক ধাক্কা সামাল দিতে ৩ ট্রিলিয়ন অর্থাৎ ৩ লাখ কোটি ডলার ঋণ নিতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে। এটি তাদের ঋণ গ্রহণের ইতিহাসে রেকর্ড। এটি ২০০৮ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার সময় যুক্তরাষ্ট্র যে ঋণ নিয়েছে, তার চেয়ে অন্তত পাঁচগুণ বেশি। দেশটির বর্তমান ঋণের পরিমাণ ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার। খবর বিবিসির

যুক্তরাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে, অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে এসে তাদের ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণ নিতে হবে।  মূলত করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষয়ক্ষতি পূরণ ও সহায়তা প্যাকেজের আওতায় যে বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে আগামী বাজেটে সরকারকে সংকটে পড়তে হবে। এই সংকট কাটাতেই প্রায় তিন লাখ কোটি ডলার প্রয়োজন।

অর্থবছরের একটি প্রান্তিকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এতো বড় ঋণ নেওয়া দেশটির একটি বিশাল রেকর্ড। ২০১৯ সালে পুরো বছরে দেশটি ঋণ নিয়েছে ১.২৮ ট্রিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্র মূলত সরকারি বন্ড বিক্রির মাধ্যমে ঋণ জোগাড় করে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস অবশ্য গত মাসে একটি পূর্বাভাস দিয়েছিল, চলতি বছরের বাজেট ঘাটতি ৩.৭ ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে।

করোনার কারণেই যুক্তরাষ্ট্রকে বিশাল অংকের ঋণে জড়াতে হচ্ছে। দেশটি এরইমধ্যে করোনার সহায়তায় স্বাস্থ্যখাত ও নগদ প্রণোদনা হিসেবে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৭০ হাজার এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১২ লাখের বেশি মানুষ। করোনার সময়ে কাজ হারিয়েছেন প্রায় ২ কোটি কর্মজীবী।

মন্তব্য করুন