স্বাধীনতা দেশজ চিকিৎসক পরিষদের ৫ দাবি

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২০     আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা

বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল আইন এর দ্রুত বাস্তবায়ন এবং ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক বোর্ডেকে ব্যাচেলর ডিগ্রীধারী চিকিৎসকদের দ্বারা পুর্নগঠনসহ ৫ দাবি জানিয়েছে বিইউএমএস ও বিএএমএস ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক গ্রাজুয়েট চিকিৎকদের আওয়ামী পেশাজীবী সংগঠন স্বাধীনতা দেশজ চিকিৎসক পরিষদ।

বুধবার সকালে রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটের সাগর রুনী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন সংগঠনটি। 

কিছু ষড়যন্ত্রকারী আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ভুল বুঝিয়ে বিইউএমএস ও বিএএমএস  চিকিৎসকদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন স্বাদেচিপের মহসচিব ডাঃ এ কে এম মামুন উর রশিদ চৌধুরী। 

এছাড়া, দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে ব্যবসায়ী শ্রেণীর একই ব্যক্তির হাতে বোর্ড জিম্মি। তারা তাদের ব্যবসায়ীক চিন্তা মাথায় রেখে বোর্ডকে কুক্ষিগত করে রেখেছে।এতে  ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক পেশার চিকিৎসকরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন সভাপতি ডাঃ আ জ ম দৌলত আল মামুন।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, বোর্ড আজ পর্যন্ত কোন ডিপ্লোমা চিকিৎসককে সরকারী চাকুরী, তাদের পড়াশুনা ও প্রশিক্ষণের উন্নতিকরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে অথচ এই সরকার ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক বান্ধব সরকার। তিনি বোর্ডকে প্রকৃত ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক দ্বারা পুনর্গঠনের দাবী জানান।

একটি প্রতিষ্ঠান ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক কাউন্সিল গঠন প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্ত করছে, যদি এই কাউন্সিল ব্যাচেলর ডিগ্রিধারীদের স্বার্থবিরোধী হয় তবে, সকল চিকিৎসক রাজপথে নামতে বাধ্য হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে হুশিয়ারী দেন বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক সমন্বয় পরিষদের  আহবায়ক ডাঃ আলমগীর হোসেন ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা দেশজ চিকিৎসক পরিষদ (স্বাদেচিপ) এর যুগ্ম মহাসচিব ডাঃ জ্যোতিষ চন্দ্র মন্ডল, ডাঃইউসুফ,সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আবু বকর সিদ্দিক, ডা.এএইচএম কামরুজ্জামান সুমন,ডাঃসোহরাব হোসেন বাদল,ডাঃমমিনুল হক রানা,দপ্তর সম্পাদক ডাঃ হাবিবুর রহমান মিন্টু, প্রচার সম্পাদক ডা. মইন উদ্দিন মামুন,ডা. তানজিলা,ডা. লিখন,ডাঃসোহেল আলম জয়,ডা.মুহিন,ডা. আরিফ,ডা. রুহুল, সহ অন্যান্য চিকিৎসকবৃন্দ।

স্বাধীনতা দেশজ চিকিৎসক পরিষদের ৫ দাবি :

১."বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল আইন"-এর দ্রুত বাস্তবায়ন।

২.ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক বোর্ডেকে ব্যাচেলর ডিগ্রীধারী চিকিৎসকদের দ্বারা পুর্নগঠন করণ।

৩.ব্যাক্তিগত অপরাধের বিরুদ্ধে অবশ্যই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হবে,তবে পূর্নাঙ্গ কাউন্সিল না হওয়া পর্যন্ত  বিএএমএস ও বিইউএমএস চিকিৎসকগনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার সময় অবশ্যই হোমিও ও দেশজ চিকিৎসা,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দায়িত্বশীল ব্যক্তির উপস্থিতি থাকতে হবে।এছাড়া মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন নং-৭০৪৩/২০১২ এর নির্দেশনাকে সম্মান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

৪.বিএএমএস ও বিইউএমএস চিকিৎসকদের এএমসির চাকুরী নিয়মিত করণ প্রয়োজনে পিএসসির মাধ্যমে স্বাস্থ্য ক্যাডারে অন্তর্ভুক্তকরন এবং ১৪৩ টি পদের চাকুরির পরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন করা।

৫.বিইউএমএস ও বিএএমএস  চিকিৎসকগণের উচ্চ শিক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধ ফ্যাকাল্টি চালুকরণ।