বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির উদ্যোগে ‘জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশের সুরক্ষা এবং বঙ্গবন্ধু’ বিষয়ে ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আশরাফ দেওয়ান। সভাপত্বিত করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক। 

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি। আলোচনা করেন-প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, সাবেক শিক্ষা সচিব ড. নজরুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. সুলতানা শফি, অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর, নগর গবেষক ও পরিবেশবিদ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, লেখক সাংবাদিক জাফর ওয়াজেদ ও অধ্যাপক ড. এ কে এম জাকির হোসেন। 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন। 

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ড. দেওয়ান জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঝুঁকির মাত্রা নিয়ে আলোচনা করেন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে বর্তমান প্রজন্মের কি করা উচিত সে বিষয় তুলে ধরেন। 

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আমাদেরই দায়িত্ব নিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন,  ভূসংস্থানিক প্ৰযুক্তি ব্যবহার করে আমরা অর্থ অপচয় রোধ করতে পারি, দিতে পারি জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ও তথ্যভিত্তিক সমাধান। একটা ভৌগোলিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান দেশে খুব দরকার, যারা বিভিন্ন বিষয়ের উপাত্ত সংরক্ষণ করবে আর গবেষকদের চাহিদা মতো সরবরাহ করবে। এমন করা গেলে আমরা নিজেরাই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারব। 

প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষায় এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে বঙ্গবন্ধুর অনেক দূরদর্শিতা ছিল বলে ড. দেওয়ান বিভিন্ন উপাত্তের মাধ্যমে তৎকালীন সময়ে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের সঙ্গে যোগসূত্র তুলে ধরেন। একইসঙ্গে তিনি বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। 

তিনি বলেন, জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় জোর দিতে হবে।

প্রধান অতিথি কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের সময় যে ২১ দফা দাবিগুলো দিয়েছিলেন, তার মধ্যে বন্যা নিয়ন্ত্রণ একটি ছিল। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় বঙ্গবন্ধুর উপকূলীয় পরিবেশের প্রতি যে দূরদর্শিতা দেখিয়েছিলে সেটার প্রতিফলন নির্বাচনের ফলাফলের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি