সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনা প্রধান

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২০     আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক, ঢাকা ও কুমিল্লা সংবাদদাতা

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ- সমকাল

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ- সমকাল

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলাসহ দেশের আর্থ-সামাজিক এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে সেনাবাহিনী। একই ধারায় ভবিষ্যতেও মাতৃভূমির অখণ্ডতা তথা জাতীয় যে কোনও প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

বুধবার সেনাবাহিনীর ছয়টি ইউনিটের রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ৩৩ পদাতিক ডিভিশন কুমিল্লা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত রেজিমেন্টাল এই কালার প্রদান প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনা প্রধান।

সেনা প্রধান আরও বলেন, কর্মদক্ষতা, কঠোর পরিশ্রম ও কর্তব্য নিষ্ঠার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রাপ্ত পতাকার মর্যাদা রক্ষা এবং দেশ মাতৃকার যে কোনও প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে ইউনিটসমূহকে প্রস্তুত থাকতে হবে। রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্তি যে কোনও ইউনিটের জন্য একটি বিরল সম্মান ও পবিত্র আমানত।

সেনাবাহিনীর সকলকে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশমাতৃকার যে কোনও প্রয়োজনে এগিয়ে আসতে নির্দেশনা প্রদান করে সেনা প্রধান। পরিশেষে সেনাবাহিনী প্রধান রেজিমেন্টাল কালার প্রদান উপলক্ষে একটি সুশৃঙ্খল, মনোজ্ঞ ও বর্ণিল কুচকাওয়াজ প্রদর্শনের জন্য সংশ্নিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

কুমিল্লা সেনানিবাসের এম আর চৌধুরী প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত হলে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আহম্মদ তাবরেজ শামস চৌধুরী তাকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর প্যারেড কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আসিফ আজমিনের নেতৃত্বে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের একটি সম্মিলিত চৌকষ দল কুচকাওয়াজ প্রদর্শন এবং সেনাবাহিনী প্রধানকে জেনারেল সালাম প্রদান করে।

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিরলস প্রচেষ্টা, দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং বিবিধ প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল কর্মকাণ্ডে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ একটি ইউনিট বা রেজিমেন্টকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৮ মিডিয়াম রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ১২ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ১০ আর ই ব্যাটালিয়ন এবং ৫ সিগন্যাল ব্যাটালিয়ন কালার প্যারেডে অংশগ্রহণ করে। প্রধান অতিথির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিমেন্টাল পতাকা গ্রহণ করে। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পদবীর সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।