এডিডি-সমকাল অনলাইন আলোচনা

মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চাই সম্মিলিত প্রয়াস

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২০     আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় অন্তর্ভুক্ত ও সচেতনতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সম্মিলিত প্রয়াস চালানো ও নেতিবাচক মনোভাব দূর করা প্রয়োজন। এই সেবায় প্রাথমিক পর্যায়েই চিকিৎসা, জনবল, অবকাঠামো ও বরাদ্দ বাড়ানো এবং সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রয়োজন নানা কারণে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত শিশু, তরুণ ও প্রতিবন্ধিদের দিকে মনোযোগ দেওয়া।

রোববার 'কমিউনিটি বেইজড মেন্টাল হেলথ সার্ভিসেস :শিশু ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা' বিষয়ক প্রকল্পের পরিচিতি ও অনলাইন আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং সমকাল যৌথভাবে এ আলোচনার আয়োজন করে। ইনোভেশন ফর ওয়েলবিং ফাউন্ডেশন, ডিজ্যাবল্ড চাইল্ড ফাউন্ডেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের নাসিরুল্লাহ সাইকোথেরাপি ইউনিট প্রকল্প সহযোগী হিসেবে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিল। এ প্রকল্পের সহায়তায় রয়েছে ইউকেভিত্তিক দাতা সংস্থা কমিক রিলিফ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনু বিভাগ) কাজী জেবুন্নেসা বেগম এবং এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম।

শুরুতে সঞ্চালকের বক্তব্যে মুস্তাফিজ শফি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বব্যাপী একটি ক্রমবর্ধমান সামাজিক ও স্বাস্থ্য সমস্যা। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সামগ্রিক স্বাস্থ্য সমস্যার ১৩ শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাজনিত। বাংলাদেশে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপে দেখা গেছে, এ সমস্যার হার বয়স্কদের ক্ষেত্রে ১৬.৮ শতাংশ এবং শিশুদের ক্ষেত্রে ১৩.৬ শতাংশ। বয়স্ক মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে ৯২.৩ শতাংশ নানা কারণে মানসিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত। শিশু-কিশোর বয়সী মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ৯৪.৫ শতাংশই চিকিৎসাসেবার আওতার বাইরে। যেসব শিশু-কিশোর মানসিক প্রতিবন্ধী চিকিৎসা পায়, তাদের ২৯.২ শতাংশেরই চিকিৎসা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আমরা এ অবস্থার উন্নয়ন চাই। এটা একা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। যার যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অবস্থার উন্নতি হবে সবার সম্মিলিত চেষ্টায়।

এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম সুবোধ দাস প্রকল্পের পরিচিতি তুলে ধরে বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার শিশু ও তরুণদের জন্য, গ্রামভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার জন্য এ প্রকল্প। দেশের সহায়তাবঞ্চিত শিশু ও তরুণ, বিশেষ করে শিশু ও যুব নারী এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গ্রামভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে এ প্রকল্প কাজ করবে। এ ছাড়া এর মাধ্যমে সেবাবঞ্চিত, প্রান্তিক ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার ৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের শিশু ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা দেওয়া হবে। এই মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা ব্যবস্থা পরিবার ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনসহ অন্যান্য সংগঠনের মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক জ্ঞান বাড়াবে। এ সহায়তা ব্যবস্থা সরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী এবং শিক্ষকদের মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক ধারণা বাড়াবে। সচেতনতা তৈরি, প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসার প্রশিক্ষণ, ঝুঁকিতে থাকা শিশু ও তরুণদের শনাক্ত এবং ছাত্রদের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্পৃক্ত করা হবে। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম, কুসংস্কার ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষণাও এ প্রকল্পের আওতায় হবে। সাড়ে পাঁচ হাজার শিশু ও তরুণ এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পরোক্ষ উপকারভোগী থাকবেন প্রায় এক লাখ জনগণ। প্রাথমিকভাবে ঢাকা, যশোর ও বাগেরহাটে প্রকল্পের কার্যক্রম চলবে। ২০২০ সালের জুনে শুরু হয়ে ২০২৪ সালের মে মাসে চার বছর মেয়াদি প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

মানসিক রোগ নিয়ে সমাজের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাবের বিষয় তুলে ধরে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনু বিভাগ) কাজী জেবুন্নেসা বলেন, কমিউনিটির আচরণের ওপর মানসিক স্বাস্থ্য অনেকাংশে নির্ভর করে। মানসিক সমস্যা জন্মগতভাবেও হতে পারে। আবার জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে গিয়ে নির্যাতন, মানসিক চাপসহ নানা কারণেও তা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে দেশে চিকিৎসকের যেমন অভাব রয়েছে, স্বাস্থ্যসেবারও অপ্রতুলতা রয়েছে। মানসিক রোগীকে সামাজিক হেনস্তারও শিকার হতে হয়। প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিস মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারে না। আশার কথা হলো, মেন্টাল হেলথ কেয়ার অ্যাক্টে অনেক সুযোগ রাখা হয়েছে। শত বছরের পুরোনো আইন লুনাসি অ্যাক্টে পাগল শব্দটির ব্যবহার ছিল। যা এখন পরিবর্তিত হয়েছে। এই পরিবর্তন অত্যন্ত ইতিবাচক। কিন্তু এই আইনের প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মিশন-ভিশন সকলের জন্য স্বাস্থ্য। সচেতনতা বাড়াতে জিও-এনজিও একসঙ্গে কাজ করতে হবে। না হলে এ সমস্যা আরও গুরুতর অবস্থা ধারণ করবে।

এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, বৈদেশিক সহায়তাপ্রাপ্ত এনজিওগুলোর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করছি। আমরা চেষ্টা করব, যারা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য কাজ করার।

মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সমাজের ধর্মীয় ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত ও কমিউনিটি ভলান্টিয়ার্স গঠনের ওপর জোর দিয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ মেন্টাল হেলথ নেটওয়ার্কের সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. ফারুক আলম বলেন, দেশে মেন্টাল হেলথ সার্ভিস খুবই কম। এই কমের মধ্যে শিশুদের জন্য রয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ। ৯৪ শতাংশ শিশুই মানসিক সমস্যার সেবা পাচ্ছে না। এ প্রকল্প একটি মডেল তৈরি করবে। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় শুধু একটি অংশকে কাউন্সেলিং দিয়ে সহায়তা করা যাবে না।

মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা চিহ্নিত করার ওপর জোর দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক নাজমা খাতুন বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যের সামগ্রিক উন্নতির জন্য কমিউনিটিকে একত্র করতে হবে। সমস্যা কেন হচ্ছে, সেটা টার্গেট করা জরুরি। জন্মগত সমস্যা হচ্ছে কিনা, শিশু বাবা-মায়ের কাছ থেকে সহায়তা পাচ্ছে কিনা, তারা তাদের অধিকারগুলো পাচ্ছে কিনা- এসব জায়গায় কাজ না করতে পারলে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা কমানো যাবে না। দারিদ্র্য এখানে সমস্যা নয়- অনেক সময় দরিদ্র পরিবারেও বন্ধন সুদৃঢ় হয়। পারিবারিক পরিবেশ নিয়ে কাজ করার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। দরকার শুধু উদ্যোগের।

মানসিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য সংশ্নিষ্টদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর চাইল্ড অ্যান্ড এডোলেসেন্ট মেন্টাল হেলথের মহাসচিব ডা. হেলাল উদ্দিন বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আটটির মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যও আছে। আমরা যদি এটি অর্জন করতে পারি, তাহলে এসডিজি অর্জন করতে পারব। সর্বশেষ মানসিক স্বাস্থ্য জরিপে দেখা গেছে, ৬-৮ শতাংশ লোক মানসিক চিকিৎসা নেন। বাকিরা নেন না। যারা চিকিৎসা নেন, একসময় তাদের ৬০ শতাংশই অপচিকিৎসার শিকার হতেন। তবে এখন যারা রোগী, তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশই মূল ধারার চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই যে একটি জোয়ার তৈরি হয়েছে- এ জন্য আমরা প্রস্তুত কি? আমরা যদি সেবা দিতে না পারি, সাধারণ মানুষ আবার অপচিকিৎসার দিকে ঝুঁকবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর (এনসিডিসি) অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, জেলা পর্যায়ে কিংবা কমিউিনিটি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্য রোগের চিকিৎসক নেই। কিন্তু রোগী আছে। আমরা প্রান্তিক পর্যায়ে মানুষকে সচেতন করার জন্য কাজ করছি। স্বাস্থ্যকর্মীদের স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছি। সার্বিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন করতে না পারলে পুরো স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন হবে না।

প্রকল্প সহযোগী সংগঠন ডিজ্যাবল্ড চাইল্ড ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন জাহান বলেন, আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের দিকে যেমন নজর দেওয়া উচিত, তেমন মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দিতে হবে। একজন মানুষ মনের দিক থেকে ভালো না থাকলে সমাজ তার কাছে কিছু পাবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও নাসিরুল্লাহ সাইকোথেরাপি ইউনিটের ডিরেক্টর কামাল চৌধুরী বলেন, এই পল্গ্যাটফর্মটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারও সারাদেশে কাজ করছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য কাজ করা হবে। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা দূর করে যারা সচেতনতা তৈরি করছেন এবং যারা সেবা দিচ্ছেন, তাদের নিয়েও কাজ করা হবে। এ প্রকল্পে গবেষণার অনেকগুলো ক্ষেত্র আছে। ছয়টি ক্ষেত্রের গবেষণা সারাদেশে কাজে লাগবে।

ইনোভেশন ফর ওয়েলবিং ফাউন্ডেশনের নির্বাহী প্রধান মনিরা রহমান বলেন, আমরা মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ২০১৫ সাল থেকে কাজ করছি। থানা হেলথ কমপেল্গক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নেই। মানসিক রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ নেই। বিনিয়োগ আরও বাড়াতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা যাতে না হয়, সে জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা দিতে পারলে রোগটি নির্মূল করা যায়। কমিউনিটির সবাই এককাতারে এলে এই রোগের চিকিৎসা নিতে আগ্রহী হবে মানুষ।

মুক্ত আলোচনায় বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বদিউল আলম বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রান্তিক পর্যায়ে খুবই অপ্রতুল। এটাকে আরও ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। যেসব প্রতিবন্ধী গ্রামপর্যায়ে বসবাস করছে, সেখানে তারা কোনো সুযোগ পাচ্ছে না।

লিওনার্ড চেশায়ারের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জহির সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য সূচকে বেশ উন্নতি করলেও মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় নজর না দিলে এসডিজি বাস্তবায়নে পিছিয়ে পড়তে হবে। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রচণ্ড মানসিক চাপে আছে। সামাজিক সচেতনতা, পরিবারের ভূমিকা, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়সহ মিডিয়ার ভূমিকার মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি সম্ভব।

সাইটসেভার্স ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর অমৃতা রোজারিও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিবন্ধী মানুষকে এই সেবা বেশি দেওয়া দরকার। সংশ্নিষ্ট কমিউনিটিকে বোঝাতে হবে, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন দিচ্ছি। বর্তমানে করোনার কারণে সবার মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। তরুণরা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাতে পারে না।

মেন্টাল হেলথ অ্যাডভোকেসি অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মোস্তফা কামাল যাত্রা বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে। সচেতনতা এবং সম্মিলিত চেষ্টায় মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি সম্ভব। কমিউিনিটি বেইজড মেন্টাল হেলথ সার্ভিস প্রকল্প এ ক্ষেত্রে মডেল হতে পারে।

এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মেন্টাল হেলথ প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার আবদুলল্গাহ আল হারুন বলেন, আলোচনা থেকে পাওয়া সবার পরামর্শগুলো তৃণমূল পর্যায়ে কাজে লাগাব। সবগুলো প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে আমরা যৌথভাবে কাজ করব।