এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: হাইকোর্টে যৌথ অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সিলেটের এমসি কলেজে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় যৌথ অনুসন্ধান কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে জমা পড়েছে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এই তদন্ত প্রতিবেদন জমা হয়। প্রতিবেদনটি সিলগালা রয়েছে। আদালতে উপস্থাপনের আগে এর তথ্য-উপাত্ত প্রকাশে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

হাইকোর্টের সংশ্নিষ্ট বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে দায়িত্বরত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী সাংবাদিকদের সোমবার জানান, বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ মঙ্গলবার প্রতিবেদনটি দাখিল করা হতে পারে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের এই বেঞ্চ ওই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা অনুসন্ধানে যৌথ কমিটি গঠন করে দেন। সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারকে এই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি এই কমিটিকে সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা করতেও পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। আলোচিত ওই ধর্ষণের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন।

অস্ত্র মামলায় রিমান্ডে মাহবুব :সিলেট ব্যুরো জানায়, ওই ধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি মাহবুবুর রহমান রনিকে এবার অস্ত্র মামলায় তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। গতকাল মহানগর হাকিম (২য়) আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান শুনানি শেষে রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় মাহবুবসহ গ্রেপ্তার আট আসামি এর আগে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং টিলাগড় এলাকাকেন্দ্রিক গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।