অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলায় পুলিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেছেন আদালত।

ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান মঙ্গলবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামিপক্ষের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ২৭ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে আরও এক মামলায় মিজানের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হলো।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার ওরফে রত্মা রহমান, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান। এর আগে ঘুষ কেলেঙ্কারির একটি মামলায়ও ডিআইজি মিজানের বিচার শুরু হয়।

আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী ও শাহিনুর রহমান। দুদকের পক্ষে মীর আহাম্মেদ আলী সালাম। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনানো হলে তারা নিজেদের নির্দোশ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন। এরপর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলায় ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার ওরফে রত্মা রহমান, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে গত বছরের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গত ৩০ জানুয়ারি দুদকে এ চার্জশিট দাখিল করা হয়।