মোমবাতি প্রজ্বালন ও শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের মধ্য দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করেছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি চিরন্তনের শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদ, মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার, সিনিয়র সহসভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওছার, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, প্রচার ও যোগাযোগ সম্পাদক কাজী মোয়াজ্জেম হোসেনসহ কার্যনির্বাহী কমিটি ও সাব কমিটির সদস্যবৃন্দ।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ. কে. আজাদ বলেন, 'দেশের বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করার জন্য, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য, রাজাকার-আলবদররা যে নীলনকশা করেছিল, তার একটাই উদ্দেশ্য ছিল- জাতিকে মেধাশূন্য করা। সেই লক্ষ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু ছাত্র ও শিক্ষককে ১৪ ডিসেম্বর রাতে হত্যা করা হয়। ২৫ মার্চ থেকে শুরু করে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা নির্বিচারে নারী-পুরুষদের হত্যা করেছে। তারা আজও সক্রিয়। কয়েকদিন আগে তারা জাতির পিতার ভাস্কর্য ভেঙেছে এবং ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। দেশের সব বুদ্ধিজীবীকে এ বিষয়ে সজাগ থেকে প্রতিবাদ করতে হবে।'

মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, 'তাদের পরিবারের সদস্যরা কী অবস্থায় আছেন, তা জানা গেলে আমরা তাদের পাশে দাঁড়াব। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর প্রস্তাবনার ভিত্তিতে ক্যাম্পাসে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।'

 এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।