আগামী বছর রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি। তিনি বলেন, আমাদের উচিৎ আগামী বছর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সূচনা দেখা। রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে কূটনৈতিক প্রতিবেদকদের সংগঠন ডিক্যাবের আয়োজনে 'ডিক্যাব টকে' ইতো নাওকি এসব কথা বলেন।

ডিক্যাব সভাপতি আঙ্গুর নাহার মন্টির পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান। পরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাপানের জোরালো ভূমিকা না থাকা প্রসঙ্গে জাপানি রাষ্ট্রদূতের কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে রাষ্ট্রদূত নাওকি বলেন, আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো অবস্থান না নিলেও মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে তার সরকার কাজ করছে।

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত বলেন, এ মুহূর্তে জাপানের ৩১৫টি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ব্যবসা করছে। আবার বাংলাদেশের জন্য এশিয়ার মধ্যে বড় রপ্তানি বাণিজ্যের দেশ জাপান।

করোনাভাইরাসের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো করছে বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রদূত নাওকি। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ করতে চায় জাপান। তাছাড়া, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এশিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জাপানি বিনিয়োগকারীরা তাই এখানে বিনিয়োগে আগ্রহী।'