জাতীয় পতাকার প্রতি অসম্মানের বিষয়ে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সংশ্নিষ্টদের সতর্ক করে গত সপ্তাহে মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিবের কাছেও এই চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় পতাকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদার প্রতীক। এর মর্যাদা সমুন্নত রাখা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য। বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ রয়েছে, যার প্রতিপালন বাধ্যতামূলক।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তাদের চিঠিতে জাতীয় পতাকা সংক্রান্ত যে বিধান উল্লেখ করেছে তা হলো- যে ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন করা হয়, সে ক্ষেত্রে একই সঙ্গে জাতীয় সংগীত গাইতে হবে। যখন জাতীয় সংগীত বাজানো হয় এবং জাতীয় পতাকা প্রদর্শিত হয় তখন উপস্থিত সবাই পতাকার দিকে মুখ করে দাঁড়াবেন। ইউনিফর্মধারীরা স্যালুটরত থাকবেন। পতাকা প্রদর্শন না করা হলে উপস্থিত সবাই বাদ্যযন্ত্রের দিকে মুখ করে দাঁড়াবেন, ইউনিফর্মধারীরা জাতীয় সংগীতের শুরু হতে শেষ পর্যন্ত স্যালুটরত থাকবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, জেলা পর্যায়ে জাতীয় দিবসগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলনের সময় কতিপয় ইউনিফর্মধারী বিধি অনুযায়ী জাতীয় পতাকার প্রতি যথাযথভাবে সম্মান প্রদর্শন না করে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে পতাকা উত্তোলন করছেন, যা বিধিবহির্ভূত।

এ অবস্থায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধিবিধান কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য সংশ্নিষ্ট সবাইকে সতর্ক করা হলো। ভবিষ্যতে পতাকা বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে চিঠিতে সংশ্নিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।