স্কুলছাত্রী আনুশকা নুর আমিনকে (১৭) ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার তানভীর ইফতেখার দীহান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তা রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক আ ফ ম আসাদুজ্জামান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। বিকেল ৪টার পর জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশের ধারণা, মৃত্যুর আগে মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তার শরীরের অন্য কোথাও আঘাতের চিহ্ন নেই। ধর্ষণের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে তার। স্বজনদের দাবি, আনুশকাকে বাসায় ডেকে ধর্ষণ করে হত্যা করেছে দীহান ও তার সহযোগীরা। হত্যার বিচার দাবি করেন তারা। আনুশকা ধানমন্ডির মাস্টার মাইন্ড স্কুলের 'ও' লেভের ছাত্রী ছিলেন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আনুশকার বাবা মো. আল-আমিন কলাবাগান থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে দীহানকে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ২ ধারায় ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ আনা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় দীহানসহ চারজনকে আটক করে কলাবাগান থানা পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুধু দীহানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।