ঋণ জালিয়াতি করে ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পি কে হালদারের ১৪ সহযোগীকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার দুদক উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান স্বাক্ষরিত আলাদা চিঠিতে তাদেরকে ডাকা হয়েছে।

১৪ জনের মধ্যে সাতজনকে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি এবং বাকি সাতজনকে পরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। 

তাদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, নির্ধারিত তারিখে যারা উপস্থিত হবেন না, অভিযোগ সম্পর্কে তাদের বক্তব্য নেই বলে ধরে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এই ১৪ জন হলেন- আর বি এন্টারপ্রাইজের মালিক রতন কুমার বিশ্বাস, আর্থস্কোপ লিমিটেডের এমডি প্রশান্ত দেউরি, পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, নিউট্রিক্যাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান স্বপন কুমার মিস্ত্রি, ওয়াকামা লিমিটেডের চেয়ারম্যান সুব্রত দাস, পরিচালক সুভ্রা রানী ঘোষ, তোফাজ্জল হোসেন, কোলাসিন লিমিটেডের চেয়ারম্যান অতশী মৃধা, এমডি উত্তম কুমার মিস্ত্রি, হাল ইন্টারন্যাশনালের এমডি সুস্মিতা সাহা, জিঅ্যান্ডজি এন্টারপ্রাইজের মালিক গোপাল চন্দ্র গাঙ্গুলী, দ্রিনান অ্যাপারেলসের এমডি আবু রাজিব মারুফ, কণিকা এন্টারপ্রাইজের মালিক রাম প্রসাদ রায় ও ইমেপো লিমিটেডের মালিক ইমাম হোসেন।

দুদকের হাতে গ্রেপ্তার ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক এমডি রাশেদুল হক গত ২ ফেব্রুয়ারি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওই জবানবন্দিতে এই ১৪ জনসহ একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম আসে।

রাশেদুল হক জবানবন্দিতে বলেন, পি কে হালদারের লাগামহীন ক্ষমতার উৎস ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর ও বর্তমান নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের এ দুই কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে সব দুর্নীতি জায়েজ করতে চেয়েছিলেন পি কে হালদার।

মন্তব্য করুন