দেশের উন্নয়ন করতে হলে দুর্নীতিবাজদের হাত ভেঙে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, 'নইলে দেশের উন্নয়ন হবে না। সামান্য একজন সাব-রেজিস্ট্রার হয়ে কীভাবে এত দুর্নীতি করে? কত সাহস!'

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার তৎকালীন সাব-রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলমের দুর্নীতি মামলার জামিন আবেদনের শুনানির সময় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট (ভার্চুয়াল) বেঞ্চ মঙ্গলবার এ মন্তব্য করেন।

আদালতে আসামি জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুন নাহার রত্না।

এর আগে জালিয়াতির মাধ্যমে ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের এক মৃত ব্যক্তি ও বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তির নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়া দলিলদাতা সাজিয়ে কমিশন গঠনের মাধ্যমে ২০১৭ সালে একটি ভুয়া দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়।

জমির কাগজ জালিয়াতির মাধ্যমে ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে সাব-রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার সঙ্গে আরও দু'জন জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

পরে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ায় জাহাঙ্গীরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক। দুদক ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সাধন সূত্রধর বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। অবশ্য এরই মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম এক মাস আগে ভালুকা থেকে যশোরের ঝিনাইদহ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে বদলি হন।