প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলার রায় পড়া শুরু করেছেন বিচারক। বুধবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান আলোচিত এ মামলার রায় পড়া শুরু করেছেন। 

সকালে বিশেষ ব্যবস্থায় মামলার আট আসামির মধ্যে ছয়জনকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার শুরু থেকেই বাকি দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।

এ রায় ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ২৪ জানুয়ারি রায়ের জন্য এ তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষ আট আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। আসামিরা খালাস পাবেন বলে আশা করছেন তারা।

দীপন হত্যা মামলার আসামিরা হলেন-বহিষ্কৃত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়া, আকরাম হোসেন, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির, আবদুস সবুর সামাদ ওরফে সুজন, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ও শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের। আসামিদের মধ্যে জিয়া ও আকরাম পলাতক।

গত ২৩ ডিসেম্বর এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত ২৬ সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। ২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ছিলেন। দীপনকে হত্যার পর ওই দিনই তার স্ত্রী রাজিয়া রহমান শাহবাগ থানায় মামলা করেন।