খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এক শিক্ষককে বরখাস্ত ও দু'জনকে অপসারণের সিদ্ধান্ত উচ্চ আদালতে স্থগিতের পর কর্তৃপক্ষকে অনতিবিলম্বে সিন্ডিকেট সভা ডেকে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সাধারণ শিক্ষকের ব্যানারে উপস্থিত ছয় শিক্ষক এবং দুপুর ১টায় প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী প্রশাসনিক ভবনের সামনে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে ওই তিন শিক্ষকের শাস্তি স্থগিতাদেশে উচ্চ আদালতকে ধন্যবাদ জানান।

একই সঙ্গে শিক্ষকদের চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদ এবং এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে লাগাতার কর্মসূচি পালন করে আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক, খুলনার নাগরিক সমাজ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক, বুদ্ধিজীবী এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী বলেন, যিনি সিন্ডিকেট সদস্য তিনিই আবার বিচারকের ভূমিকা পালন করেছেন, তিনিই আবার সাক্ষী দিয়েছেন। অর্থাৎ একই ব্যক্তির দ্বৈত রূপ। এটা অগণতান্ত্রিক ও নিয়মবহির্ভূত। আমরা চাই উচ্চ আদালত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রসাশন সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে চাকরিচ্যুত ৩ শিক্ষককে স্বপদে পুনর্বহাল করবে।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলনে আতিক তূর্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আহ্বান জানাচ্ছি আদালতের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে বিষয়টিকে যেন আর নোংরা না করা হয়, জনগণের অর্থ অপচয় না করা হয়। শিক্ষকদের শাস্তির আদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আমাদের প্রতিবাদ চলবে।

বিষয় : শিক্ষকের শাস্তি বাতিল লাগাতার কর্মসূচি

মন্তব্য করুন