পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় রায়ে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ওরফে বোমা মিজান ওরফে মুন্না ওরফে কাওসারের ২৯ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

বুধবার কলকাতার জেলা ও দায়রা আদালতে গঠিত জাতীয় তদন্ত সংস্থার (এনআইএ) বিশেষ আদালত এ রায় দেন। দেশদ্রোহিতা, বিস্ফোরক আইন ও বিদেশি আইনের ধারায় তাকে এই কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি ২৯ হাজার রুপি জরিমানাও করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ বলছে, বোমা মিজান নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামা'আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) শীর্ষ স্থানীয় নেতা। সংগঠনটির বোমা তৈরির প্রধান কারিগর এই জঙ্গি নেতা। বর্ধমান বিস্ফোরণ ছাড়াও বাংলাদেশে বহু মামলার পলাতক আসামি হিসেবে তার নাম রয়েছে। বুদ্ধ গয়ায় বোমা বিস্ফোরণের হোতাও বোমা মিজান।

খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে বোমা মিজানের সর্বোচ্চ সাজা হয়েছে। এর আগে এ মামলায় অভিযুক্ত ৩৪ জনের মধ্যে ৩২ জন আদালতে দোষ স্বীকার করে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডিত হয়। এর মধ্যে পাঁচজন জেএমবির সদস্য। দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে দু'জন নারীও আছে।

এ মামলায় আরেক আসামি সালাউদ্দিন সালেহীন পলাতক। এনআইএ বলছে, সালাউদ্দিন ধরা পড়লে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করে তার বিচার করা হবে।

২০১৪ সালের ২ অক্টোবর খাগড়াগড়ের একটি দ্বিতল বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে দুই জঙ্গি মারা যায়। আহত হয় তিনজন। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ জানায়, ওই বাড়িটি ছিল জেএমবির পশ্চিমবঙ্গের ঘাঁটি।


বিষয় : বোমা মিজান বোমা মিজানের কারাদণ্ড

মন্তব্য করুন