প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বড় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও গড়া যেতে পারে। প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার চাকরিজীবীদের মধ্যে সর্ববৃহৎ। তারা ইচ্ছা করলে একটা ব্যাংকও তৈরি করে ফেলতে পারেন।

মঙ্গলবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে শিক্ষকদের চিকিৎসা ভাতা ও উচ্চশিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ইচ্ছা করলে কল্যাণ ট্রাস্টকে অনেক বড় করে ফেলতে পারেন। তাদের সামান্য টাকা একত্রিত করতে পারলে বিশাল তহবিল হবে। ভালো হাসপাতালও তৈরি করে ফেলতে পারেন তারা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারই এক-তৃতীয়াংশ হবে। প্রাথমিকের শিক্ষক সবাই এক হাজার করে টাকা দিলে ব্যাংকের মূলধন হয়ে যাবে। সব সংস্থা ও বাহিনীর ব্যাংক আছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের কেন প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের অপেক্ষায় থাকতে হবে? শিক্ষকরা নিজেদের ব্যাংকের টাকা দিয়ে উপবৃত্তি-অনুদান দিতে পারবেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মুনসুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদসহ কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্যরা। অনুষ্ঠানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে ৭৯০ জন শিক্ষককে চিকিৎসা ভাতা ও উচ্চশিক্ষা বৃত্তির চেক প্রদান করা হয়।