পড়াশোনার মান, গবেষণাসহ নানা মানদণ্ডে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে চমক দেখিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। দেশে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৪৩তম। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২৬তম। আর বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে এটির অবস্থান ৫৯২৫তম। এ তালিকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরে অবস্থান করছে দেশের প্রথম সারির অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।

এই তালিকায় দেশের ১৭৩টি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ঢাবির অবস্থান ১৬৩৪তম ও বুয়েটের অবস্থান ১৭০২তম।

বিশ্বের দুই শতাধিক দেশের উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে স্পেনের মাদ্রিদভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েবোমেট্রিপ ডট ইনফোর (www.webometrics.info) জানুয়ারি ২০২১ সংস্করণে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ৩১ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে সম্প্রতি ১৮তম সংস্করণ প্রকাশ করে। মঙ্গলবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরই রয়েছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিআইউপি)। দেশে তাদের অবস্থান ৪৭তম। বিশ্বে ৬৯৬৫তম। এরপর আছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের অবস্থান দেশে ৫৫তম, বিশ্বে ৮০৩৯তম। ঢাকা মেডিকেল কলেজের অবস্থান ৫৬তম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৫৯তম। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৬৩তম। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের অবস্থান ৬৭তম। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৬৮তম।

এবার ঢাবি ও বুয়েটের পর শীর্ষ ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩ নম্বরে রয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২১৮১), ৪ নম্বরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২৩৫৭), ৫ নম্বরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২৬৬২), ৬ নম্বরে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২৬৬৪), ৭ নম্বরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২৭২১), ৮ নম্বরে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২৭৭৩), ৯ নম্বরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র‌্যাংকিং ২৮০৩) ও ১০ নম্বরে রয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (বিশ্ব র‌্যাংকিং ৩১০১)।

এ র‌্যাংকিং তৈরিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের তথ্যের পাশাপাশি তাদের গবেষক এবং প্রবন্ধ বিবেচনায় নেওয়া হয়।