বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডারে সংরক্ষণের নির্দেশনা চেয়ে তিনটি মন্ত্রণালয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বিয়ে এবং তালাক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হলেও এগুলো ডিজিটাল না করার কারণে নানা ধরণের প্রতারণামূলক ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠছে। আর এ কারণেই এসব তথ্য ডিজিটালাইজড করার নির্দেশনা চেয়ে আইনি নোটিশটি পাঠানো হয়।

আইনজীবী ইশরাত হাসান, এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠন এবং তিন জন ভুক্তভোগীর পক্ষে এই আইনি নোটিশটি আইন মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়কে পাঠানো হয়েছে। যাদের পক্ষ থেকে আইনি নোটিশটি পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে একজন রাকিব হাসান। তিনি সম্প্রতি ক্রিকেটারের নাসির হোসেনের সদ্যবিবাহিত স্ত্রীকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করেছেন।

নোটিশে বলা হয়েছে, প্রথম বিয়ে এবং বিয়ের তথ্য গোপন করে আবার বিয়ে করার অনেক অভিযোগ গণমাধ্যমে দেখা যায়। বিদ্যমান আইনে বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রেশনের বিধান আছে, যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি–সংবলিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় না।

এ বিষয়ে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, ভুক্তভোগী যে তিন ব্যক্তি রয়েছেন তাদের সবারই বিয়ে সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় নথি তিনি দেখেছেন এবং সেগুলো সঠিক বলে মনে হয়েছে তার কাছে।

আইনি নোটিশ সম্পর্কে তিনি জানান, এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিন কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ে কোন উদ্যোগ নেয়া না হলে এ বিষয়ে একটি রিট দায়ের করা হবে।

ইশরাত বলেন, তিন দিনের মধ্যে ডিজিটালাইজড সম্পন্ন করা না হোক- অন্তত বলা হোক যে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে বিয়ে ও তালাকের জন্য একটি এলাকায় একজন রেজিস্ট্রার বা কাজী থাকেন। কিন্তু ওই এলাকার কেউ যদি অন্য এলাকায় গিয়ে আগের বিয়ের কথা গোপন করে বিয়ে করেন তাহলে নতুন এলাকার কাজীর পক্ষে জানা সম্ভব হয় না যে তিনি আগে বিবাহিত ছিলেন কিনা।

তিনি বলেন, তাই বিয়ে ও তালাকের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন আনুষ্ঠানিকভাবে ডিজিটাল হওয়া জরুরি। বর–কনের ছবিসহ বিয়ে ও তালাকের রেজিস্ট্রেশন ডিজিটালাইজ হলে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা যাবে।