ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানা থেকে ডাকাতি মামলার এক আসামি পালিয়েছেন।

মঙ্গলবার তাকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজিরা দিতে আনা হয়েছিল।

পালিয়ে যাওয়া হারুনুর রশিদের  (২৭) বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ ও ঢাকার রমনা থানায় হত্যাচেষ্টাসহ চুরি ও ডাকাতির পাঁচটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন তিনি।

আদালতের পুলিশ সূত্র জানায়,  সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অন্যান্য আসামির সঙ্গে হারুনুর রশিদকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের হাজতখানায় রাখা হয়। কেরানীগঞ্জ থানার ডাকাতি মামলায় তাকে আদালতে হাজির করতে নেওয়ার সময় দেখা যায়, ওই আসামি সেখানে নেই। এরপরও পুলিশের ভেতর দৌড়ঝাপ শুরু হয়।

ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কোর্ট পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ সমকালকে বলেন, প্রিজন ভ্যানে ৭০ থেকে ৮০ জন বন্দিকে হাজাতখানায় আনা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ভিড়ের মধ্যেই ডাকাতি মামলার ওই আসামি পালিয়ে গেছে। ওই ঘটনায় কোতয়ালী থানায় পলাতক আসামির বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।

কোর্ট পুলিশের আারেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আসামি পলায়নের ঘটনায় সংশ্নিষ্ট হাজতের ইনর্চাজ এসআই বদরুল আলমসহ দায়িত্বরত পুলিশের ৮ সদস্যকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে কমিটি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, পলাতক হারুনুর রশিদের গ্রামের বাড়ি ভোলার লালমোহনে। তার বাবার নাম মফিজ মিয়া।



বিষয় : আসামির পলায়ন ঢাকার আদালত

মন্তব্য করুন