অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল এবং লেখক মুশতাক আহমেদ হত্যার বিচার ও মুশতাক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদকারী গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। নেতারা বলেছেন, গণআন্দোলন গড়ে তুলে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এই গণবিরোধী সরকারকে পরাভুত করতে হবে। এর মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় দেশবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, লেখক মুশতাক আহমেদ হত্যার বিচার ও মুশতাক হত্যাকান্ডের প্রতিবাদকারী গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি এবং দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি রোধের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভের কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও সিপিবি'র প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতনের সভাপতিত্বে সমাবেশ বক্তব্য দেন সিপিবির সহকারী সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ জহির চন্দন, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা খালেকুজ্জামান লিপন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আকবর খান, ইউসিএলবির কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির শহীদুল ইসলাম সবুজ, গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাকমন্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভুইয়া, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি হামিদুল হক, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা আ ক ম জহিরুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

নেতারা বলেন, ভোটারবিহীন বা মধ্যরাতের নির্বাচনের সরকারকে অবৈধ বলা বা তার পদত্যাগ দাবি করা রাষ্ট্রের বিরোধিতা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা নয়। লেখক মুশতাক আহমেদকে স্বাধীন মতপ্রকাশের অপরাধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নয় মাস কারান্ত্মরীণ রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

তারা আরও বলেন, এই সরকার ভাত ও ভোটের নিশ্চয়তা দেওয়ার অঙ্গিকার করে ক্ষমতায় এসে গত ১২ বছরে ধাপে ধাপে চালের দাম বাড়িয়েছে। এই সরকার বাজার সিন্ডিকেটের প্রশ্রয়দাতা। মন্ত্রীসভাও ব্যবসায়িদের সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে। অবিলম্বে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান নেতারা।

মন্তব্য করুন