স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স চার্লস অব ওয়েলস। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীর উদযাপন মঞ্চে তাদের ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়।

এতে প্রিন্স চার্লস অব ওয়েলস বলেন, এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে বাংলাদেশের জনগণকে উষ্ণ অভিনন্দন। গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। ৩০ বছরে ৫০ লাখ মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্যের ছয় লাখ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিক দু'দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে দারুণ ভূমিকা রাখছেন। আমরা সব সময় পরস্পরের অংশীদার থাকব।

ভিডিও বার্তায় আরও অভিনন্দন জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী চুং সি-কুন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বন্ধু জাপানের রাজনীতিবিদ ও মন্ত্রিসভার সদস্য তাকাসি হাকাওয়ার পুত্র ওসামু হাওয়া কাওয়া, ফিলিপাইনের সেক্রেটারি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স টুডোরো এল. লকসিন জুনিয়র এবং ঢাকায় নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত রাহাব লারবি।

এছাড়া লিখিত শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন স্পেনের রাজা ফিলিপ (ষষ্ঠ), বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ, চেক প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট মিলোস জেমান, পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ডুডা, জাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট এডগার চাগওয়া লুংগু, কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়াল ডিয়াজ ক্যানেল এবং বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী বয়কো বরিসভ। স্পেনের রাজার শুভেচ্ছা বার্তা পড়ে শোনান ঢাকায় নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিসকো দ্যা বোনস সালাস। অন্যান্য শুভেচ্ছা বার্তা পড়ে শোনান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। শুচ্ছেভা বার্তায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর জন্য উষ্ণ অভিনন্দন জানান।