স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ৫০টি জাতীয় পতাকা সংবলিত র‌্যালি দেশের ৬৪টি জেলা প্রদক্ষিণ করবে। এ ৫০টি পতাকা ৫০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা বহন করবেন। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ র‌্যালির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এ সময় মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে কথা তুলে ধরেন।

এর আগে ‘ফায়ারওয়ার্ক শো’ (আতশবাজি) এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ঢাকা জেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পতাকা প্রদক্ষিণ উপলক্ষে প্রতিটি জেলায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ও অন্যান্য অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

৬৪ জেলা প্রদক্ষিণ শেষে চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর সুবর্ণজয়ন্তী র‌্যালি ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করবে। র‌্যালির এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গমন, অবস্থান ও প্রস্থানের একটি রুট ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে। এই রুট ম্যাপ অনুযায়ী, র‌্যালিটি জেলায় অবস্থানকালে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিটি জেলায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সুবর্ণজয়ন্তী মেলা, মুক্তির উৎসব ইত্যাদি নানাবিধ বর্ণাঢ্য আয়োজন হবে উৎসবমুখর পরিবেশে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মারুফ হোসেন সরদারসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।