ভবিষ্যতে করোনাভাইরাস মহামারির মতো জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক একটি চুক্তি করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে ২৩টি দেশের নেতারা সম্মত হয়েছেন। মঙ্গলবার এই চুক্তির বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন তারা।

প্রস্তাবিত এই চুক্তিতে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি তৈরিকারী যেকোন বিষয়ে তথ্য বিনিময়ের বিষয়ে কড়াকড়ির কথা বলা হয়েছে। খবর রয়টার্সের

গত নভেম্বরে বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক দেশগুলোর জোট গ্রুপ-২০–এর সম্মেলনে এ ধরনের একটি চুক্তির ধারণা তুলে ধরেছিলেন ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল। সেখানে মহামারিতে টিকা, ওষুধ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার সর্বজনীন ও সমান অধিকার নিশ্চিতের লক্ষ্যের কথা বলেছিলেন তিনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস আধানম গেব্রিয়েসুস নতুন এই চুক্তির প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা আলোচনা শুরু হয়নি বলে কূটনীতিকেরা জানিয়েছেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, কভিড-১৯ মহামারিতে যেসব ঘাটতি দেখা দিয়েছে, সেগুলো মোকাবিলা সম্ভব হবে নতুন এই চুক্তি হলে।

আগামী মে মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মন্ত্রী পর্যায়ের বার্ষিক সভা হবে। সেখানে সংস্থাটির সদস্য ১৯৪টি দেশের প্রতিনিধিদের সামনে খসড়া প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হতে পারে।

ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় প্রস্তাবিত চুক্তিতে সম্মত দেশগুলো হলো-যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, নরওয়ে, গ্রিস, ফিজি, পর্তুগাল, রোমানিয়া, রুয়ান্ডা, কেনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, চিলি, কোস্টারিকা, আলবেনিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, তিউনিসিয়া, সেনেগাল, সার্বিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ইউক্রেন।