নকল পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও আমদানির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার সুপারিশ করেছেন সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তা, প্রতিরোধে সম্পৃক্ত সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তারা। তারা বলেছেন, নকল পণ্যের কারণে শুধু স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ক্ষতিই হচ্ছে না, পুরো জাতির সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। পণ্যের নকল প্রবণতা বন্ধ করতে তারা আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করার আরও জোরালো পদক্ষেপ চেয়েছেন।

গতকাল শনিবার দৈনিক সমকালের নকল পণ্যবিরোধী প্রচারাভিযানের দ্বিতীয় পর্বের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে বক্তারা এসব কথা বলেন। গত বছরের ১২ মার্চ 'নকল পণ্য কিনবো না, নকল পণ্য বেচবো না' শিরোনামে সমকাল এ প্রচারাভিযান শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে দ্বিতীয় পর্বের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  হয়েছে। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

সমকালের এ আয়োজনে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ও জেসিআই বাংলাদেশ সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। টেলিভিশন পার্টনার হিসেবে রয়েছে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ও রেডিও পার্টনার ঢাকা এফএম।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, নকল পণ্য এমন একটি বিষয়, যেখানে দল-মত নির্বিশেষে এর বিরুদ্ধে ঐকমত্য। বিভিন্ন সংস্থা নকল পণ্য প্রতিরোধে কাজ করছে। এরপরও এর বিক্রি ঠেকানো যাচ্ছে না। এ প্রবণতা সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থা থেকে বের হতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে যেসব সংস্থা নকল পণ্যবিরোধী কার্যক্রম করছে, তাদের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি করতে হবে।

স্পিকার বলেন, নকল পণ্যে আর্থিক ঝুঁকির চেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি। এর থেকে মৃত্যুর ঝুঁকিও রয়েছে। সামগ্রিক বিষয়টি শুধু নেতিবাচক পরিবেশের জন্ম দেয়। তিনি বলেন, নকল প্রতিরোধে শুধু উৎপাদক কোম্পানি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে নিয়ে আলোচনা করলে হবে না। প্রতিরোধ অভিযানের পাশাপাশি কমিউনিটিকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, এ আলোচনায় যেসব সুপারিশ উঠে এসেছে, তার ভিত্তিতে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে তার বাস্তবায়ন করতে হবে। সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারেন উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে আশ্বাস দেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভোক্তাদের মনে রাখতে হবে, মানসম্পন্ন পণ্যের জন্য সঠিক দাম দিতে হবে। কম দামে কিনতে গিয়ে নকল পণ্য কিনছেন কিনা, সে বিষয়ে সচেতন হতে হবে। স্পিকার বড় ব্র্যান্ডের কোম্পানিগুলোকে তাদের পণ্য চেনার জন্য মোড়কে বিশেষ সিল বা বৈশিষ্ট্য ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, নকলের দৌরাত্ম্য কমানোর বিকল্প নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে। এর পাশাপাশি জনসচেতনতাও দরকার। সবাই সচেতন হলে নকল প্রতিরোধ সম্ভব। এ ক্ষেত্রে তিনি করোনা মোকাবিলায় জনসচেতনতা সৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলায় সফল হয়েছে সচেতনতার কারণেই। তিনি বলেন, রাতারাতি নকল বন্ধ করা সম্ভব হবে না। আইন প্রয়োগ অব্যাহত রাখতে হবে। আসন্ন রমজানে ফুটপাতসহ অন্যান্য জায়গায় যাতে মানহীন ও ভেজাল খাদ্য বেচাকেনা না হয়, সে জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নেবে বলে জানান মন্ত্রী।

স্বাগত বক্তব্যে সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি বলেন, করোনার কারণে সবাইকে নিয়ে এক জায়গায় বসে আলোচনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে করোনায় জীবন থেমে থাকেনি। নকলও থেমে থাকেনি। করোনার সুরক্ষা সামগ্রীও নকল হয়েছে। চারদিকে নকল ও অবৈধ পণ্যের ছড়াছড়ি। ফুটপাত থেকে শুরু করে বড় শপিংমলে বিক্রি হচ্ছে দেদার। এমন কায়দায় নকল পণ্য তৈরি করা হচ্ছে যে, ক্রেতার পক্ষে ধরা কঠিন। নকল পণ্যের কারণে সরকার প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রকৃত ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন ক্রেতারা। পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। যেসব পণ্য বেশি নকল হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো প্রসাধনী। জীবন রক্ষাকারী ওষুধও নকল হচ্ছে। মোবাইল হ্যান্ডসেট, অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্য ও বৈদ্যুতিক তারের মতো পণ্য হরহামেশাই নকল হচ্ছে। নকল হচ্ছে সরকারের রেভিনিউ স্ট্যাম্প। সিগারেটের ট্যাক্স-স্ট্যাম্প, ব্যান্ডরোল নকল ও পুনর্ব্যবহার করে সরকারকে বড় অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।

তিনি বলেন, দৈনিক সমকাল তার সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে গত বছর থেকে নকল পণ্যবিরোধী বিশেষ প্রচারাভিযান শুরু করেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রচারাভিযান সামনে রখে সমকাল সিরিজ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এসব প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, সহজে অতি মুনাফার উদ্দেশ্যে অভিনব কৌশলে নকল পণ্য তৈরি করে বাজারে ছাড়ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। একসময় হাতেগোনা কয়েকটি পণ্য নকল হতো কিংবা অবৈধভাবে বাজারে আসত। কিন্তু এখন নকলের তালিকায় যোগ হচ্ছে নিত্যনতুন পণ্য।

মুস্তাফিজ শফি বলেন, নকল পণ্য প্রতিরোধে ও সচেতনতা বাড়াতে সর্বসাধারণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ জরুরি। এনবিআর, বিএসটিআই, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্নিষ্ট অন্যান্য সংস্থার যথাযথ ভূমিকা এ ক্ষেত্রে জরুরি। আইন ও বিচারের মাধ্যমে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করাও জরুরি। করোনার কারণে ফেসবুক, ইউটিউবসহ অন্যান্য ডিজিটাল ব্যবস্থায় এ প্রচারাভিযান বেশি করে চালানো হবে বলে জানান তিনি।

পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ অনুষ্ঠানের জন্য এক ভিডিও বার্তায় বলেন, নকল বা ভেজাল প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। এর কিছু প্রভাবও আছে। এখন সাধারণত ফল পচে যায় বা মাছে মাছি দেখা যায়। তবে এতে আত্মতৃপ্তির কিছু নেই। নকল আছে এবং তা নির্মূলে কাজ করে যেতে হবে। একই সঙ্গে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সতর্ক হতে হবে।

আলোচনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (আয়কর নীতি) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, নকলের ব্যাপ্তি ও বিস্তৃতি ব্যাপক। সার, বীজ, খাদ্য, সফটওয়্যার, দলিল সবই নকল হচ্ছে। এতে শুধু রাজস্ব হারানো ও স্বাস্থ্যঝুঁকি হচ্ছে তা নয়, জাতীয়ভাবে ব্র্যান্ডিং নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জাতির সার্বিক সুনাম ও সুখ্যাতির ক্ষতি হচ্ছে। নকল প্রতিরোধে শুধু সচেতনতা নয়, আরও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ দরকার। তিনি বলেন, নকল প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলাসহ অন্যান্য সংস্থার অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকে দায়িত্ব নিয়ে প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। একজন আলোচকের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, সিগারেটের নকল ব্যান্ডরোল বন্ধে এনবিআরের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, নকল প্রতিরোধে ব্যবসায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মান নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সংশ্নিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। নকলের কারণে বড় প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) কৃষ্ণপদ রায় বলেন, পুলিশের কাজের অগ্রাধিকার বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তন হয়। তবে নকল প্রতিরোধ সব সময়ই অগ্রাধিকারে আছে এবং থাকবে। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় নকলের কারখানা বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এসব প্রতিরোধে রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃষ্টি দরকার বলে মনে করেন তিনি।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম সরকার বলেন, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। এখন দরকার গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য। এ জন্য নকল প্রতিরোধের বিকল্প নেই। নকল ও ভেজাল প্রতিরোধে তার প্রতিষ্ঠানের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

বিএটি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেহজাদ মুনিম বলেন, বাংলাদেশে রাজস্ববহির্ভূত সিগারেট বাজারজাত হচ্ছে ৭ শতাংশ। এ হার অস্ট্রেলিয়ায় ২৫ শতাংশ। এটা সম্ভব হয়েছে এনবিআর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্যোগের ফলে। তবে সিগারেটের দাম একসঙ্গে অনেক বাড়ালে ক্রেতারা নকল বা নিম্নমানের সিগারেটে চলে যাবে। এ জন্য বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দাম বাড়াতে হবে। যারা নকল ব্যান্ডরোল তৈরি করছে, তাদের শাস্তি বাড়াতে হবে এবং যন্ত্রপাতি ধ্বংস করতে হবে। কম শাস্তির কারণে একই ব্যক্তি বারবার নকল করছে।

ম্যারিকো বাংলাদেশের পরিচালক ক্রিস্টাবেল রান্ডলফ বলেন, বিএসটিআই, পুলিশ, র‌্যাবসহ সংশ্নিষ্ট সব সংস্থা নকল প্রতিরোধে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে বিদেশ থেকে প্রচুর নকল পণ্য আমদানি হচ্ছে। এ জন্য সীমান্তে এবং কাস্টমসে আরও সক্রিয় ভূমিকা দরকার। আমদানি করা নকল পণ্য এত সূক্ষ্ণভাবে তৈরি হয় যে, প্রকৃত পণ্যের উৎপাদকরাই অনেক সময় বুঝতে পারেন না। নকলের কারণে ব্যবসা পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

স্কয়ার টয়লেট্রিজের বিপণন বিভাগের প্রধান জেসমিন জামান বলেন, নকল পণ্যের কারণে জনসাধারণ, সরকার সবাই ক্ষতির মুখে পড়ছে। আইনের কঠোর প্রয়োগ ও সচেতনতাই পারে এটি প্রতিরোধ করতে। এ জন্য সচেতনতা সৃষ্টির কার্যক্রমকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে পারলে তা ফলপ্রসূ হবে।

ইউনিলিভার বাংলাদেশের পরিচালক (আইন) রাশেদুল কাইয়ুম বলেন, প্রসাধনী নকল হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বড় ব্র্যান্ডের পণ্য নকল হওয়ায় মানুষ আস্থা হারাচ্ছে। সরকার মুনাফাও কম পাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা মুনাফা পাচ্ছেন না এবং বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। তিনি বলেন, নকল পণ্যের মূল কারণ অতি মুনাফা। উল্লেখযোগ্য শাস্তি না হওয়ায় ধরা পড়ার পরও একই ব্যক্তি বারবার নকল করছেন।

ক্যাবের সহসভাপতি এস এম নাজের হোসেইন বলেন, নকল এমন পর্যায়ে গেছে যে, ভোক্তারা নৈরাশ্যবাদী হয়ে পড়েছেন। এ জন্য সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি আইনের কঠোর প্রয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।

বিএসটিআই পরিচালক তাহের জামিল বলেন, ব্র্যান্ডের পণ্য নকল হওয়ার প্রবণতা বেশি। কিছু এলাকায় বেশি নকল হয়। আবার নিম্নমানের পণ্যও আমদানি হচ্ছে। বিএসটিআই নকল, নিম্নমান ও ভেজাল প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনাসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তবে এ ক্ষেত্রে জনসচেতনতা ও ব্যবসায়ীদের কার্যকর উদ্যোগ দরকার।

বিএসটিআইর উপপরিচালক রিয়াজুল হক বলেন, নকলকারীরা কৌশল পরিবর্তন করছে। জায়গা পরিবর্তন করছে। রাতে কাজ করে। রাতে যেহেতু ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সুযোগ নেই, নকলকারীরা সেই সুযোগ নিচ্ছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, নকলকারীরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে। তিনি নকল প্রতিরোধে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নৈতিকতা বাড়ানো ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।