করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধেও ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

ব্যাংকবহির্ভুত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো গ্রাহক মার্চ প্রান্তিকের ঋণের কিস্তি জুনের মধ্যে পরিশোধ করলেও তাকে খেলাপি করা যাবে না। সিডিউল অনুযায়ী, কিস্তি না দিলে নিয়মিত সুদের বাইরে দণ্ডসুদও নেওয়া যাবে না। 

মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

করোনাভাইরাসের প্রথম ধাক্কা শুরুর পর ২০২০ সালে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা ঋণ পরিশোধ না করলেও খেলাপি না করার ঢালাও সুবিধা দেওয়া হয়। প্রথমে জুন পর্যন্ত সময় দিয়ে পরে ২ দফায় তা ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। এবার ঢালাও সুবিধা না দিলেও কিছু শিথিলতা আনা হয়েছে। 

এর আগে গত ২৪ মার্চ অপর এক সার্কুলারের মাধ্যমে ব্যাংকের গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধে কিছু শিথিলতা আনা হয়।

মঙ্গলবারের সার্কুলারে বলা হয়েছে, অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ, লিজ বা অগ্রিম শ্রেণিকরণ বিষয়ে ইতিপূর্বে কিছু শিথিলতা আনা হয়েছিল। করোনাভাইরাসজনিত কারণে সাময়িকভাবে ঋণের কিস্তি পরিশোধে সমস্যার সম্মুখীন হওয়া গ্রাহকরা মার্চের কিস্তি ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করলে তাকে খেলাপি করা যাবে না। বিদ্যমান নিয়মে সুদ নিতে হবে। বিলম্বে পরিশোধের কারণে কোনো ধরনের দণ্ড সুদ বা অতিরিক্ত ফি নেওয়া যাবে না।