আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, আগামী ইউপি নির্বাচন হতে হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। কোম্পানীগঞ্জে রাজনৈতিক সহাবস্থানের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে বিএনপি-জামায়াত পালিয়ে বেড়ায়, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পালিয়ে বেড়ায়- এ সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এ সময় পরবর্তী প্রজন্মের জন্য নির্বাচন থেকে সরে যেতে চান বলে জানান তিনি।

শুক্রবার ভোর ৫টায় নিজ পৌরসভা কার্যালয়ে অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন তিনি। ভাগ্নে মাহবুব রশিদ মঞ্জু বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় তার নিজের আইডি থেকে ফেসবুক লাইভে এসে কাদের মির্জার বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পাল্টা বক্তব্য দেন।

কাদের মির্জা আরও বলেন, আপনারা জানেন, দু'দিন আগে কোম্পানীগঞ্জে শান্তির জন্য ১১টি প্রস্তাব উত্থাপন করি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রশাসন এ প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। তিনি বলেন, পুলিশ বসুরহাট পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি রাজুকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এএসপি শামীম ও কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি রনি প্রতিপক্ষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়ে আমার অনুসারী রাজুকে বেদম মারধর করেছে। 

এ ব্যাপারে ডিআইজিকে বলার পর তাকে কোর্টে পাটিয়ে দেয়। এমন আরও কয়েকটি ঘটনার তথ্য দিয়ে এসবের নেপথ্যে ভাগ্নে রাহাত এবং বাদল নামে একজনের নাম উল্লেখ করেন বসুরহাটের মেয়র। এ অবস্থায় তিনি শান্তির প্রস্তাব দেন।

তিনি আরও বলেন, এখানে রাজনৈতিক কারণে নিরপরাধ অনেককে মামলায় জড়ানো হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যে পক্ষের মামলা হোক না কেন, তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে হবে এবং অন্যায়ভাবে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের অনতিবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।