ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় জেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মাওলানা সাজিদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মুফতি মোবারক উল্লাহসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে সদর মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। 

শনিবার সন্ধ্যায় তার আইনজীবী ও পৌর আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল জব্বার মামুন মামলা দাখিল করলেও গতকাল রোববার বিকেল পর্যন্ত থানায় নথিভুক্ত (এফআইআর) হয়নি।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- ছাত্র অধিকার পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি মাওলানা আশরাফুল হোসেন তপু, জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক বোরহান উদ্দিন কাসেমী, মাওলানা আলী আজম, মাওলানা এরশাদ উল্লাহ, মাওলানা জুনায়েদ কাসেমী, মাওলানা নোমান আল হাবিব, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, সদর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক মমিনুল হাসান তাজ, সুলেমান মোল্লা, হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক জুনায়েদ বাবুনগরীর পিএস মাওলানা এনামুল হক, মাওলানা আবদুল হাকিম, সদর উপজেলার নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন ওলামাতুলবার পরিষদের সভাপতি মাওলানা মনজুরুল হক ও খালেদ মোশারফ। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারকীয় তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। তারা বৈধ সরকারকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করে। তারা বিভিন্ন ফেসবুক পেজ, আইডি ও নিউজপোর্টালে সাইবার সন্ত্রাস সংঘটিত করে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক, বিদ্বেষ ও ঘৃণামূলক স্ট্যাটাস প্রদান করে জনসাধারণের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ শাহজাহান মামলা দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা নথিভুক্ত করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

জুনায়েদ আল কাসেমী গ্রেপ্তার :ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা কয়েকটি মামলায় হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল কাসেমীকে গত শনিবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিসানুল হক জিসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


বিষয় : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মামলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া

মন্তব্য করুন