গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, অন্যায়, অবিচারকারী, ফ্যাসিস্ট সরকারের কী এত বুলেট আছে, আমাদের সবাইকে মেরে ফেলবে! কিছু লোক মারতে পারবে, আমাদের কিছু লোকের আত্মত্যাগে যদি দেশে পরিবর্তন হয়, এর চেয়ে বড় সফলতা আর কী হতে পারে। জয় আমাদের হবেই। পরিবর্তন চাই, পরিবর্তনের জন্য সবাইকে সাহস সঞ্চয় করা দরকার।

রোববার রাজধানীর বিজয়নগরে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন ডা. জাফরুল্লাহ। জামায়াতে ইসলামী ছেড়ে আসা নেতাদের উদ্যোগের গঠিত এবি পার্টির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জামায়াতের সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও এবি পার্টির প্রধান উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক, নাগরিক ঐক্যের আহ্বাক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া, কল্যাণ পার্টির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, অ্যাপক দিলারা চৌধুরীসহ অনেকেই ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কথা বলেন।

এবি পার্টির আহ্বায়ক এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী বলেন, সংবিধানের দোহাই দিয়ে সাংবিধানিক রাজনীতির সব পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। নির্বাচনের নামে আগের রাতে ভোট ডাকাতি করে জনগণের সঙ্গে তামাশার উৎসব চালু করা হয়েছে।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এবি পার্টি গত এক বছর লাগাতার কাজ করেছে। গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকারের স্বপক্ষে লড়াই করছে।

ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের যে প্রতিশ্রুতি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে দেওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিতে এবি পার্টির যাত্রা। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্ম ইসলামে এই তিনটি অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক বলেন, এবি পার্টি নতুন দল হলেও নেতৃত্ব নতুন নয়। তরুণদের ধরে রাখুন, তরুণ পেশাজীবীদের রাজনীতিমনস্ক করুন, তাদেরকে রাজপথে আনুন।

অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, এই সরকারের অধীনে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অবক্ষয় হয়েছে, তা ফিরিয়ে আনতে হবে।

এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মন্‌জুর সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম অধ্যাপক ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ।

বিষয় : ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

মন্তব্য করুন