স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক হল ও ক্যম্পাস খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এ দাবিতে বৃহস্পতিবার রাজু ভাস্কর্য়ের সামনে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে উপাচার্য কার্যালয়ে স্মারকলিপি পেশ করেন তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে দেওয়া স্মারকলিপিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে হল ও ক্যাম্পাস খুলে পরীক্ষা নেওয়াসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবিগুলো হলো- ২৯ মে এর পর ছুটি বৃদ্ধি না করা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় আনা এবং হল ও ক্যম্পাস নিয়মিত মনিটরিং করা।

এই আন্দোলনের সমন্বয়ক ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আশিক মাহমুদ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার জন্য একের পর এক তারিখ দেওয়া হচ্ছে; কিন্তু খুলে দেওয়া হচ্ছে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত নিতে পারলেও নিচ্ছে না বরং জাতীয় সিদ্ধান্ত বলে দায় সারছে। এদিকে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতা ও সেশন জটের শঙ্কায় পড়েছে।

উপাচার্য ইতিবাচক সাড়া দেননি উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, আমরা যৌক্তিক দাবি নিয়ে গেলেও উপাচার্য আমাদের দাবি কর্ণপাত করেননি। আমরা আশাহত হয়েছি। এটা আশা করিনি, শিক্ষকদের থেকে আমরা শিক্ষক সূলভ আচরণ কামনা করি। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।

আশিক মাহমুদ ছাড়াও স্মারকলিপি প্রদানের সময় ছিলেন, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ মাহমুদ, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, আরবি বিভাগের ইব্রাহিম নাফিস, মনোবিজ্ঞান বিভাগের রাকিবুল হাসান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আফিয়া ফারজানা দোলা প্রমুখ।

শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। একই দাবিতে রোববার সারাদেশে সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যনারে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা।